আমার দুটি মুক্তা আছে অন্য কারো কাছে আছে কি? দুই মুক্তার মাঝে আমি থাকব হাসি-খুশি। আমার এক মুক্তা পথ দেখায় অন্য মুক্তা স্বপ্ন দেখায়। আমার দুটি মুক্তা আছে এক মুক্তা
বাবা কথা বলে না যে আমার সাথে আড়ি? রাগ করে কি বসে আছো আসছো না যে বাড়ি! তুমি এলে খাবার খাব যাব ফুলের বাকে, তোমায় ভালোবাসি বাবা বলছি আমি মাকে।
সকালে উঠে নেতার কথা ভাবি মনে মনে, নেতার আদেশ মেনে তবে থাকি নেতার সনে। সকল কাজে নেতার কথা মেনে যেনো চলি, বিপদাপদে পাশে থাকবো শপথ করে বলি। নেতার কথায় সব
ক্ষুধার কষ্টে কুঁকড়ে মরি বধির রাখো কান! মানচিত্র আজ ঠুকরে খাব যাবে তখন মান॥ মানচিত্রের ঐ রক্ত খাব এটাই যদি চাও, তাহা না হইলে উদরপূর্তি খাদ্য খেতে দাও। লাল মানচিত্র
মানসীর গল্প শুরু হয়েছিল একটি ছোট গ্রামে, যেখানে সে জন্মেছিল এবং বড় হয়েছিল। পিতৃহীন পরিবারে মানসী ছিল মা আর ছোট ভাইয়ের একমাত্র ভরসা। তার মা কাজ করতেন গ্রামেরই এক জমিদারের
অনাদি কালের বন্ধু আমরা ছিলাম একসাথে, কাটিয়েছি সুখ দুঃখের প্রহর গুলো হাতে হাত রেখে ছিলাম হংস মিথুন কথায় মুখর। সুখ স্বপ্নে কাটতো দিন খুশিতে বিভোর, চাঁদনী রাতে দু’জনে কেবলই করেছি
আমিও একদিন মেহমান হয়েছিলাম তোমার মেহমান খানায় অনেক খুঁজে খুঁজে বের করেছিলাম তোমার বৈঠক খানা। নিজের হাতে বাদাম কুঁচি দিয়ে পায়েস রান্না করে নিয়ে ছিলাম তোমার জন্য। ইচ্ছে ছিল তুমি
আসছে ধেয়ে দমকা হাওয়া সাগর থেকে উপকূল, উতালপাতাল সাগর নদী ঢেউয়ে ভাঙে নদীর কূল। মাঝে মধ্যে আচমকা হয় তিব্র হাওয়ায় গতিপথ, জলোচ্ছ্বাসে গাছপালা সব ছিন্ন ভিন্ন চলার রথ। কালো মেঘে
রিমঝিমিয়ে বৃষ্টি ঝরে মেঘলা এলো যাত্রী, হচ্ছে বলেই আকাশ কালো সকাল দুপুর রাত্রি। কাদামাটি হাটবাজারে হইচই নদী-নালা! কালবৈশাখীর জলোচ্ছ্বাসে গরিব দুঃখীর জ্বালা। বাড়ির পাশে পুকুর ঘাটে নোঙর ভিরাই হাটে, ব্যাঙের
পুরুষ নারী দু’জন মিলে একই শক্তির বল, সংসার নীড়ে প্রেমের ভীড়ে নামে সুখের ঢল। নারীর মাঝে পুরুষ খোঁজে পরশ ছোঁয়া সুখ, নারীর মিলন জগত মাঝে মিঠায় পুরুষ ভুখ। প্রেমের জোড়া