আজ আকাশের রঙ কেমন ফ্যাকাশে। সূর্যের আলোয় উজ্জ্বলতার চেয়ে যেন বেশি ক্লান্তি। মনে হয়, চারপাশের সবকিছুই যেন বোবা— কেউ কথা বলছে না, কারও মধ্যে প্রাণ নেই। ঘরের কোণে বসে থাকা
দুঃখ? সে তো আমার কাছে এক চিরসবুজ গাছ। একটা সময় ছিল, যখন দুঃখকে তাড়িয়ে দিতে চাইতাম। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝলাম, দুঃখকে পুষে রাখাই তো আমার শক্তি। প্রতিটা ব্যথা বুনেছি —
তওবা মানে, রবের নিকট ফিরে আসা। তওবা মানে, পাপের কথা স্মরণ করে চোখের জলে ভাসা। তওবা মানে, নত হয়ে অনুতপ্ত হওয়া। তওবা মানে, লজ্জিত হয়ে রবের কাছে পাপের স্বীকার উক্তি
নিজের প্রতি করেছো যারা জুলুম অবিচার। নৈরাশ হওয়ার নেই যে কারণ, বারণ হতাশার। নবীর কাছে ওহী আসে সূরাতুল যুমার। দয়াময় চেয়ে আছেন তোমার ফিরে আসার। তওবা করে ফিরে এলে গুনাহ
লজ্জিত হওয়া উচিত প্রতিটি কৃতকর্মের জন্য ঘৃণিত হওয়া উচিত কাদের অনুসারী এটা ভেবে আফসোস হওয়া উচিত জীবনে কতটা ভুল করেছো অনুশোচনা হওয়া উচিত কাদের পদলেহনে মত্ত ছিলে সংশোধন হওয়া উচিত
আমার বুকের মধ্যে অনেকদিন ধরে অনেক কথা জমে আছে, কিছু বলতে গেলেই সবাই বলেছে, আজ নয়,পরে শুনবো, ছেলে বেলায় স্কুলের পাশের কদবেল গাছে আমি ঢিল ছুঁড়ি নি, ঢিল ছুঁড়েছিল অনিল,
ঘুটঘুটে ওই অন্ধকারে সূর্য ঘুমায় খাটে, কুয়াশাতে মিশে গেছে শিশির ভেজা মাঠে। শীতের রূপের আগমনে মিলিত হবে পাড়ে, অচিন পাখির আনাগোনায় উজান বিলের ধারে। পাক পাখালির কিচিরমিচির স্নিগ্ধ বাতাস খানি,
জামাই দাওয়াত দিতে হবে সামনে পৌষ মাস, রুটি পিঠা তৈরি করে সঙ্গে একটি হাঁস। মেজো জামাই খাবে আজ বড় জামাই কাল, ছোট্ট জামাই সঙ্গে করে নিয়ে এলো তাল। শশুর মশাই
শোনো খোকা খুকি সবে বঙ্গ দেশের গল্প, ছন্দ ছড়ায় দেশের কথা জানো অল্প অল্প। পুর্ব পশ্চিম দুই নামেতে ছিল একটা দেশ, স্বার্থ নিয়ে ঝগড়া বাঁধে জটিল হলো রেষ। উনিশ শত
ভারত যদি উল্টো পাল্টা করে একটা শব্দ, নোবেল জয়ী দেশ শাসকের হাতেই হবে জব্দ। বহু বছর দেয় নি জবাব ধরেছি যে ধৈর্য, ঢিল ছুঁড়লে পাট-কেল খাবে করবো নাকো সহ্য। বঙ্গ