মায়া ছিল বড্ড বেশি তাই কি শিথিল প্রেমে মায়ার রাজ্যে করছো বসত মায়ায় বাঁধা ফ্রেমে। মায়ায় ভরা মুখখানি আজ মায়া হরিণ চোখে প্রজাপতির রঙের মায়ায় চোখ টাটালো লোকে ।। মায়ার
আমি একটি জিরো, অন্যের বদৌলতে কখনো হই হিরো। স্বার্থক অঙ্কের যদি থাকি ডানে, সকলে মান্য করে আবার গুণে।( গণনা করা) বামের অঙ্ক হিংসা করে কেটে ফেলে বাবু যদু, আমি আবার
ছুঁয়ে দিলেই লজ্জাবতী যেমন নিজেকে গুটিয়ে নেয়, মানুষ বলে যাদের জানি- তারাও তেমনিভাবে আজ লজ্জাবতী সেজেছে। বিবেকের উলঙ্গপনা ঢাকতে মুখ লুকিয়েছে উত্তপ্ত বালুতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়েছিলো যারা দীপ্তিময় সংকল্প- স্বার্থের
যে মধুর নেশা ঘোরে মধুকর ঘুরেফেরে রূপ রস ভরা দেহময় শেষ যবে হবে বেলা শুকাবে সে মধুবালা রূপ রস শেষে হবে লয়। কিছু দ্রুত লোপ পায় কিছু রেশ থেকে যায়
দুচোখ আমার ঢুলছে ঘুমে চোখের পাতা নড়ে না এত্ত নাড়াই তবু আমার বন্ধ দুচোখ সরে না । মুখ জুড়ে তাই ঢালছি পানি, সেই পানি যায় কোন খানে আজ বিকেল আর
সকাল থেকেই মনটা ভালো নেই তৃপ্তির । সেই কাক ডাকা ভোর থেকে ঝম ঝম করে বৃষ্টি পরেই চলেছে । থামার কোন লক্ষন নেই। অবিরাম বৃষ্টি তৃপ্তিকে তেতিয়ে তুলল। একবার টিভি
জন্ম,মৃত্যু এবং বিবাহ কখন কি ভাবে, কোথায় হবে এটা সয়ং বিধাতা ছাড়া অন্য সবার অজানা। সুখ নামক সোনার হরিণ কার কাছে কখন ধরা দেবে আর কে তার নাগাল পাবে না
বাসন্তীকা, তুমি কেমন আছো, তোমাকে ছাড়া আমি ভালো নেই, তোমাকে ছাড়া আমি শূন্য, তোমাকে ছাড়া আমি বড্ড অসহায়। বাসন্তীকা তুমি আমাকে সেই দুরে রেখে , আজ কেমন আছো জানিনা, নিশ্চয়ই
সময় বয়ে যায়, কেটে যায় দিন আমি হীন তুমি জানি হয়েছো রঙিন, ফুল বাগিচায় কত ফুল ডাকে হাত ছানিতে লুফে নেয় প্রেম-প্রীতি জীবন খেয়াতে। রঙিন ভোমর তুমি নতুনত্বে চাকচিক্যের ভীড়ে,
বৃষ্টি ভেজা রাতের শহর,নীরব চৌদিক– নরম স্বরে আলাপণ মেঘের দ্বীপে, শুনশান নিঃশব্দ খেয়ায় ঢালে বিরহের জল মমতাময়ী আঁধার বিস্ময় চোখে তাকিয়ে দেখে। বৃষ্টি তোমাকে বলছি মান করো না– ভালোবাসার পল্লব