শিলা-বৃষ্টি,কখন যে কোথায় আসে-যায়! আগারগাঁও অফিসের পক্ষেও বলা দায়, যদিও তাঁরা নির্ভর করে,বায় কেমন ধায় তবুও দাবদাহ চলছে বেখেয়ালে হায়! মেঘের সাথে গগনবিদারী গর্জন যদি হয় শিলাকে বলেছিলাম, পেওনা একটুও
প্রকৃতি জুড়ে প্রৌঢ়ত্বের ছাপ , মলিন হচ্ছে সবুজ রুগ্ন নদী নিতম্ব নাচিয়ে প্রশ্ন করে— ‘নেই সেই কলরব! তবে কী ফুরিয়ে গেছে সব?’ নির্বাক বাতাস শুধুই বয়ে যায় বোবা চোখে জানায়
মাটির দেহ মাটির সাথে যাবে একদিন মেশে রঙ্গ ঢঙ্গ করি শুধু মাটির পৃথিবীতে এসে হিংসে নিন্দে করে করে কেটে যাচ্ছে দিন শেষ হচ্ছে আয়ু তোমার আসবে মরণ একদিন। রুপ বলো
যে ফুল ফুটে অন্তরে,কল্যাণের তরে; ছুঁড়ে দাও- গন্ধ তার,মানুষের ঘরে। শুকনো পাতা মর্মর, বাজে কহু তানে; ভরে দাও ধরা প্রভু, সু-সাম্যের গানে। রুষিয়া গেলে সে কাল, কলির গুঞ্জরে; যে কাল
তুমি এসে জীবন ময়, অলিখিত দলীলে দস্তখত দিলে, উড়ো খামে মুঠোফোনে বার্তা পাঠালে মনের সাজানো রঙে। কত উপমায় আঁকো ছবি রচো কত রচনা নিরবধি। তুমি এসে জীবন ময়, অভিমানে অনুরাগে
কে ঐ বাংলায় জন্ম নিয়ে বাংলায় বাস করে, বাংলা নববর্ষে বৈশাখ বরণে অপপ্রচার ধরে? বিনয়ের সহিত বলব তারে প্রশ্ন কর নিজেকে, দেশ,ভাষা ও জাতি হয় কিনা ভিন্ন ধর্ম থেকে? আজও
চাই না যুদ্ধ, আর কত প্রাণ, কত সম্পদ বিনষ্ট হবে? জীবনযুদ্ধের মধ্যদিয়ে আবার তা গড়ে তুলতে হবে। আবার মহাকাল বিবর্তনের ভাঙ্গাগড়া ইচ্ছের খেলা, আবার শক্তির লড়াই বড়াই, হামলার পাল্টা হামলা।
তুমি এলে, এক আকাশ ভালোবাসার পসরা সাজিয়ে —–বৈশাখী বিকেলের নিস্তব্ধ প্রহরে, ঐ কোমল মায়াময় অনিন্দ্য মুখশ্রীর মুগ্ধতায় হারিয়ে যাবে যেকোন ষোড়শীর মন পাঁজর। কি মায়াময় দৃষ্টিতে জড়ালে চোখের পলকে —-আবেশে
আমি জন্মেছি সেই সময়ে! তখন পাঁচ দশ পয়সার মূল্য ছিল, আমি জন্মেছি সেই পরিবারে! সেই বাড়ির ভেতরে তখন___ আরো একটা , ভিতর বাড়ি ছিল! মেয়েদের শালীনতার অন্দরমহল ছিল, সেখানে মেয়েদের
তোমার প্রতি সব সময়ই আমার শরীরের ব্যথার মতই দরদ! নিজ খাবারের প্লেটের মতোই, তোমাকে পরিচ্ছন্ন ভাবে ভালোবাসি। তুমি আমার কাছে ঘুমের মতোই শান্তির! আমার নিঃশ্বাসের মতোই, তোমার মূল্য। নিজেকে রক্ষা