একসঙ্গে অনেকগুলো পাঞ্জাবী কিনে রেখেছি, আর ধবধবে সাদা গোলাকার ফ্রেমের একটা চশমা। তোমার সাথে দেখা হবে এই ভাবনায়, মাঝেমধ্যে আয়নায় চেয়ে থাকি অনেকক্ষণ, কল্পনায় তোমার চোখে আমাকে দেখি। ভাঁজ পড়ে
প্রিয়দর্শিনী আমার, তুমি মোর চিরকালের সাথী, তোমায় নিয়ে মনের মাঝে, বাঁধি স্বপ্নের ঘাটি। দিনের শুরু তোমার মুখের হাসিতে, রাতের শেষ তোমার কথায় ভাসিতে। প্রথম দেখা সেই দিনের কথা, মনে পড়ে
আজ থেকে পঁচিশ বছর পরে মনে করো আমি নেই! এমনই কোনো একুশের বইমেলায় একটা ফুটফুটে জ্যোৎস্নার আলোজ্বলা সন্ধ্যাবেলায় সেদিনের কোনো এক বাসন্তী রঙের শাড়ি পরা, মাথায় ফুলের মুকুটে শোভিত বাবার
আগুনের মতো জ্বলে ওঠুক কবিদের কণ্ঠস্বর.. সাইক্লোন এর বেগে ঝলসে ওঠুক কবিতার শব্দ; অলস মস্তিষ্কে উৎপাদিত হোক সমাজ উন্নয়নের কথা…. উন্মাদ বিশ্বের কানায় কানায় জ্বলে উঠুক প্রতিবাদের ঝড়, হৃদয়ের গহ্বরে
তোমাকেই ভাবছিলাম ভাবতে ভাবতে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত তারপর রাত পেড়িয়ে ভোর… আমার সবটুকু সময় কেড়ে নিয়ে কি সুখ তুমি পাও? তোমার রাগ, অভিমান বা অহংকার কিছুই আমি ঠিক বুঝতে
গন্ধম খেয়ে যেদিন নির্বাসিত হলেন আদম তখনো সভ্যতার আলো জ্বলেনি পৃথিবীতে। মানুষ তখনো শেখেনি সামাজিকতা। প্রথমেই প্রয়োজন হলো লজ্জা নিবারণের- ছাল বাকল জড়িয়ে হলো তার সমাধান চকমকি পাথর দুর করল
আমার না,কি যে হয়েছে ; কিচ্ছু বুঝি না! পাড়াপড়শি কয় জিনে ধরেছে, ঘরের মানুষ কয় তাবিজ করেছে। আসলে আমি’ই জানি,আমার কি হয়েছে। মুখ ফুটিয়ে বলি না, নিয়ম মেনে চলি না,
পৃথিবীর সব রং ছাপিয়ে যেতে পারে তোমার সুকৌশল মিষ্টি হাসিতে, এমন পাতা ঝড়ার দিনে বৃষ্টির আগমন তুমিও ঝড়ে গেলে মনেরই অজান্তে। তোমার বসন্ত বিলাসে বাকরুদ্ধ হয়েছি মনের দামে চিনেছো কি
আয় ভাইয়েরা, আয় বোনেরা মামার বাড়ি যায় সারাদিন ঘুরি ফিরি তাইরে নাইরে নাই। মামা, মামী আদর করে মন প্রাণ দিয়ে নানা ভাই বাড়ি আসে রসের হাড়ি নিয়ে। মামার বাড়ির গাছের
এই দেখো ! জতুগৃহে মাতৃযন্ত্রণা ছুঁয়ে এসেছি, শতবর্ষার জলে ভিজে বহু বসন্তের পরাগে নিষিক্ত করেছি স্বপ্নরাগ, উজ্জীবিত প্রাণে তোমার কাছে ফিরে এসেছি তুমি ফিরিয়ে দিও না যেন। নাতিদীর্ঘ কবিতার শ্লোকে