ফাগুন এসে গেছে দখিনা সমীরণে আগুন লাগবে বুঝি শিমুলের ডালে, প্রকৃতির মেঘা মেঘা কুহেলিরা রঙ ধরিয়ে দিয়েছে স্বর্ণালি আকাশে। কখন যে কম্বলটি উধাও হয়েছে! শীতের লুকোচুরি চলে গেছে, কর্ণ যুগল
শুভ হোক জীবনের গোধূলি লগ্নের পথচলা কল্যাণময় হোক পথের ধুলোবালি ইট পাথর বন্ধুর পথ চাইনা,চাই সারথির হাত ধরে হাঁটতে; কতোদিন আড্ডায় গল্প করা করা হয়নি! তাতে ধুলোবালির আস্তরন পড়ে আছে
বেলা অবেলার স্বপ্নগুলো সাজিয়ে দু’চোখের কোণে ভাসো, অভিযোগে নয়, অভিমানী এক ভালোবাসা হয়ে আসো। নইলে এসো না, চলে যাবে যদি মনগড়া অজুহাতে, অন্য শহরে থেকে যেও তুমি অন্য কারোর সাথে।
প্রথম দেখাতে প্রেমে পড়েছি আমি মায়াবী চোখের চাহনিতে যখনি তুমি তাকিয়ে ছিলে আমার দিকে। তোমার চোখে,চোখ রেখে দেখেছি বহুবার, চোখাচোখি হতেই অন্যরকম অনুভব। তোমার চোখ,মুখের হাসিতে ছিলো রঙিন স্বপ্নের আয়োজন।
রাষ্ট্র প্রদত্ত পুরস্কার অনেক বড় সম্মানের এটি যারতার ভাগ্যে জুটে না। তারপরে যদি হয় সাহিত্যের উপরে পুরস্কার! যেনতেন কবি সাহিত্যিক হলে হবে না, জ্ঞানগর্ব, চিন্তাশীল, বিচক্ষণ কবিসাহিত্যিক হতে হবে আরও
যে কাউকে ভালোবাসতে উদার করো মন, ভালোবাসার পরম শত্রু হলো কলুষিত মন। ভালোবাসায় লাগে না টাকা পয়সা পার্থিব ধন, লাগে কলুষমুক্ত হৃদয়ের স্পন্দন জড়ানো পণ। ভালোবাসায় রাখতে নেই কোন স্বার্থের
প্রতীজ্ঞা যেখানে বারবার খোয়াবের প্রাচীর ভাঙ্গে ভাঙ্গে সিমান্ত প্রাচীর সীমানা রক্ষীর গুলিতে ভাঙ্গে বীজের সীমানা আবরণখানি তুলিতে ঔদাসিন্য পেচক দিবাস্বপ্নে আচ্ছন্ন থাকে রাতের ভীতি ছড়াতে। দিনের আলোতে যার ঘুমের কাকুতি
ছুটি চাই আমি আমার এই ভয়ংকর জীবন থেকে। মুক্তি চাই আমি অনেক আপন চেনা কাছের মানুষটার থেকে। ভুলতে চাই আমি তাঁকে যে আমার জীবনের সবকিছু নিঃস্ব করে দিয়েছে। মুছে ফেলতে
অনেক অবহেলা করিছস এবার না হয় থাম। আরো করতে চাস তুই অবহেলা তাহলে করে নেয় মন ভরে যতটা পারিস। তোর সাথে এখন আর আগের মত কথা হয় না কথা বলতে
তোমার কোলে মাথা রেখে আমি কি আর ঘুমাবো? ঘুম পারানির রাতের গান আরকি আমি শুনবো? হারিয়েছ তুমি কোন গগণে আমায় রেখে এ ভূবনে? আজও তোমায় আমি দেখি গভীর ঘোর স্বপ্নে।