ঢাকা, ৭ জুন ২০২৬: ঝকমকে আলো, কবিতা আর ছন্দের এক নান্দনিক আবহ তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা হলে। গত ৬ জুন (শনিবার) সেখানে অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে
গভীর ভালোবাসায় স্পর্শ থাকে না, তবুও মানুষটিকে ভাবলেই, অকারণে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে, তার সামান্য কষ্টেও বুকের ভেতর নামে অদৃশ্য ঝড়। সে ভালোবাসা উচ্চারণের নয়, অনুভবের। সেখানে দূরত্ব পরাজিত হয়,
চাকরি থেকে পেলাম অবসর, তাই আপন জ্ঞাতির সাথে বাঁধি ঘর। সময় পেলেই নেই তাঁদের খোঁজ খবর। কারণ তাঁরাই মোর অন্তরের অন্তর, শিক্ষক শিক্ষার্থীর জন্য ভালবাসা মোর নিরন্তর। পানি ছাড়া যেমন
সবেমাত্র সাত বছর বয়স, দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, মিষ্টি হাসি মুখে নিয়ে যেতো সে যে ইস্কুলে। সকাল দশটায় মা যখন খুঁজছে ব্যাকুল মনে, পিশাচ তখন মেতে উঠেছে পাশবিক উল্লাসে। পাশের ফ্ল্যাটের
আমাদের প্রেমপাংশুল দুনিয়ায় তুমি আর নাই, ভেসে যায় নৌকা বোঝাই উজ্জ্বল টাইটেনিয়াম স্নায়ুবিকারের তোড়ে ওই নদী বয় হৃত-মাধুরীর, দাঁড়ের শব্দ শুনি শুধু বাদবাকি আবহ-বধির বাঁক শেষে মাটিয়া বুরুজ তারপর ধুলট
খুব তাড়াতাড়ি “ভালোবাসি”কথাটা বলতে নেই! “ভালোবাসি” শব্দটা একটা গণ্ডি, যেটা পেরোলেই গড়গড়িয়ে বয়স বাড়তে থাকে প্রেমের! আসলে অন্যসব জীবের মতো প্রেমেরও একটা জীবন চক্র আছে! যদিও তুমি বলবে, “প্রেম” আবার
আমরা যখন শিশু ছিলাম করতো মায়ে যতন, মায়ের কাছে ছিলাম সদা হিরা মানিক রতন। আদর স্নেহ ভরা হাতে ভাত দিতো মা মুখে, মাথার ওপর হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়াতো বুকে। জন্ম
বারোটি দিন পার হলো আজ, বাবা অসুস্থ হয়ে দূরে, বিষাদমাখা দিনগুলো মোর কাটছে ব্যথার সুরে। আমার ‘অটো এলার্ম’ তিনি, ডাকতেন শেষ রাতে, তাহাজ্জুদ শেষে যেতাম ফজর পড়তে সাথে। একসাথে সব
আমি ফিরে আসবো প্রতিদিন ভোরের ভেজা শিশির হয়ে, রোদ্দুরভেজা দুপুর জুড়ে তোমার জানালায় আলো ছুঁয়ে। বিকেলের নরম হাওয়ায় ডাকবো তোমায় নামটি ধরে, সাঁঝের শেষে প্রদীপ হয়ে জ্বলবো নিভৃত অন্ধকারে। তুমি
(আমি) দেখিনা তার আসা-যাওয়া দেখিনা তার সুরত খান বুকের ভেতর বসত করে আমার লাইগা নাই রে টান।। কখন আসে কখন সে যায় অনুমতির নাই দরকার সকাল বিকাল পুষি তারে কোন