ওগো মোর কল্পনার সারথি, কি কর তুমি? তুমি কি নিশি জাগা কৃষ্ণকলি? রাত গভীরে জেগে থাকা চাঁদ, পাবার আশে হলে নিশি পরী। জ্যোছনার সাথে করো মিতালী। জানো সখী? আমি’ই সেই
এখন আর তোমার কালো শাড়ির আঁচলে আবেগের অনুভূতি নেই, পথচলার বাঁকে বাঁকে যন্ত্রণাদের আনাগোনা…. জানিনা কবে শেষবার সবভুলে তোমার হাত ধরে রেললাইনে হেঁটে ছিলাম নাকি আজ? তুমি কি সুন্দর পিচঢালা
–আগুন– তাসলিমা আক্তার মনের আগুন কেউ দেখেনা বনের আগুন সবাই দেখে বেইলীরোডের আগুন লাগে কাচ্ছি ভাইয়ের খাবার ঘরে। খাবার খেতে গেলো যারা আর ফিরলনা বাড়ি তারা কেউ ঝলসে কয়লা হলো
মনের আগুন কেউ দেখেনা বনের আগুন সবাই দেখে বেইলীরোডের আগুন লাগে কাচ্ছি ভাইয়ের খাবার ঘরে। খাবার খেতে গেলো যারা আর ফিরলনা বাড়ি তারা কেউ ঝলসে কয়লা হলো কেউ বা আবার
তোমার জন্যে আমার এ হৃদয়ে কতটা রক্ত ক্ষরণ হয়েছে তা একটিবার ভেবেছো, তুমি তাকে আরও দু’পায়ে দলে যেতে চেয়েছো। কন্টকময় এতটা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে যে ভালোবাসাকে দেখতে এলাম আমি,
প্রিয় ফুল গন্ধরাজ তোমার সুবাস নিতে বাগানে যায় রোজ রোজ তুমি আমার প্রাণের মন মাতানো সুগন্ধের প্রিয় ফুল গন্ধরাজ। তোমার প্রেমে আমি অন্ধ তাই চোখ করে বন্ধ নাক দিয়ে নেই
ভোরের হাওয়া সুর তুলেছে রোদ দিয়েছে উঁকি চিক চিক চিক গান ধরেছে চপল টুনির খুকি জানলা গলে নামলো এসে সূর্যমূখী রোদ বসন্তেরই হাওয়ার সাথে রোদের কী আমোদ ! মিষ্টি মধুর
ভুইলাই গেছো প্রিয়া নাকি ভুলতেই ভুইলা গেছো? আমারে দেহাইবার লাইগ্যা পায়ে আলতা হাতে মিন্দি লাল পাইড়া নীল শাড়ি গাঢ় লিপস্টিক, তেমন কইরা এখনো কি সাজো প্রিয়া ভালোবাসার গোলাপ রঙে? আকূত
এই পৃথিবীতে এখন প্রতিটা মানুষের মনে স্বার্থপরের খেলা চলে। প্রতিটা মানুষ নিজের স্বার্থে কথা ভাবে প্রতি নিয়ত স্বার্থের প্রয়োজনে মানুষ বদলে যায়। মানুষের জীবনে ভালোবাসাটা ও এখন স্বার্থপরে পরিণত হয়েছে।
বসন্ত এসেছে বিষন্ন কোকিলের কুহুতানে হৃদয়ের তন্ত্রীতে মুগ্ধতা ছড়াতে, প্রকৃতির সেজেছে আজ নতুন সাজে কৃষ্ণচূড়ার গাছে গাছে যেন আগুন লেগেছে এই ফাগুনে। বসন্তের এই মৃন্দুমন্দ বাতাসের শনশন শব্দ আমার কানে