জীবনের স্বরূপ স্রোতের অভিরূপ, বর্ণিল রঙে কখনো আনন্দধামে মাতে,কখনো বর্ণহীন সাদা কাগজের নৌকায় ভাসে– জীবন আগামী সময়ের অলিখিত বন্ধনে সঙ্গী হয় সঙ্গত বৃত্তে নানাবিদ শোভন-অশোভন নিত্য পরিক্রমার ছাউনিতে- পর্যালোচনায় একটি
আমাকে মিষ্টি কথা বলা শিখিয়েছে যে সে আজ চলে গেছে বহুদূরে! এমনকি তার ছায়া থেকেও সরিয়ে দিয়েছে আমাকে কি আশ্চর্য্য! দূরে থেকেও তিনি আমার মনে রাজ করে। চিরচেনা মামুষটি আমাকে
আজ একটু সকাল সকালই বাজার গেলেন পরিতোষ বাবু, ওনার মেয়ে জামাই আর ছেলে আসছে। মেয়ের, ইলিশ, জামাই আর ছেলের মাটন আর দাদুভাই এর চিকেন। তাছাড়া, বকফুল, লাউ, আরও কি সব
একদিন সক্রেটিস আগোরার রাস্তার পাশে তার ছাত্রদের নিয়ে দর্শন আলাপ করছে। কঠিন সব জ্ঞানের আলাপ হচ্ছে। হঠাৎ রাস্তায় ভুস করে বের হলো ঝাকানাকা সুন্দর একটি মেয়ে। এথেন্সের রাস্তায় কোন মেয়ে
ইচ্ছে করে তোমায় দেখি আমার দু’চোখ ভরে আদর-মায়ায় জড়িয়ে রাখি অতি যতন করে । ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে দুর পাহাড়ে যাই হারিয়ে সবুজ শ্যামল প্রকৃতির বুকে নিজেদের মোরা দেই এলিয়ে।
১ম পর্ব বিয়ের প্রায় চার বছর পর রত্না মা হতে চলেছে। এই নিয়ে সংসারে খুশির সীমা নাই।রত্নাও মহা খুশি। সবাই খুবই আদর যত্ন করছে।শ্বাশুড়িও ভারি কোন কাজকর্ম করতে দেয় না।
পর্ব নং ১ যুথি -কি মিরা কেমন ভ্রমন হলো এ যাত্রায় সিলেটের তাপমাত্রা কেমন ঢাকায় তো ৪০° মিরা – যুথি কে বললো হুম ভালোই হলো ভ্রমন পাবনার পাগলরাও এর থেকে
মা আছে যার এ পৃথিবী তার মা হীনা যে অগ্নি জীবন তার, মায়ের কোল যে পেয়েছে সর্ব সুখী সে- মায়ের চরণ ধুলি যে পেয়েছে জান্নাত তার। মা থাকতে যদি করো
মাগো তুমি আমার কাছে ইছামতীর পানি কুলকুলিয়ে নিরবধি ছড়ানো আঁচলখানি। মাগো তুমি শীতের সকাল উষ্ণ রোদের তাপ তুমি আমার গরম ভাতের ধোঁয়া ওঠা ভাপ। মাগো তুমি পদ্মা নদীর ঢেউ থইথই
কিচ্ছু হবে না লক্ষ্যপূর্ণ, কিচ্ছু হবে না সাধন, কিচ্ছু হবে না কারোর জীবন আদর্শ উন্নয়ন, হবে না সমাজ রাষ্ট্রের নৈতিকতার অগ্রগতি, যতক্ষণ না সত্য প্রতিষ্ঠা করো অন্তরে প্রতি। শতশত মতবাদ