তুমি এলে, এক আকাশ ভালোবাসার পসরা সাজিয়ে —–বৈশাখী বিকেলের নিস্তব্ধ প্রহরে, ঐ কোমল মায়াময় অনিন্দ্য মুখশ্রীর মুগ্ধতায় হারিয়ে যাবে যেকোন ষোড়শীর মন পাঁজর। কি মায়াময় দৃষ্টিতে জড়ালে চোখের পলকে —-আবেশে
আমি জন্মেছি সেই সময়ে! তখন পাঁচ দশ পয়সার মূল্য ছিল, আমি জন্মেছি সেই পরিবারে! সেই বাড়ির ভেতরে তখন___ আরো একটা , ভিতর বাড়ি ছিল! মেয়েদের শালীনতার অন্দরমহল ছিল, সেখানে মেয়েদের
তোমার প্রতি সব সময়ই আমার শরীরের ব্যথার মতই দরদ! নিজ খাবারের প্লেটের মতোই, তোমাকে পরিচ্ছন্ন ভাবে ভালোবাসি। তুমি আমার কাছে ঘুমের মতোই শান্তির! আমার নিঃশ্বাসের মতোই, তোমার মূল্য। নিজেকে রক্ষা
ভালোবাসি বলেই ভালোবাসি বলি না অন্তরে আছ বলেই হাতে হাত রাখি না। চারপাশে আছ মিশে আমার তাইতো আর তোমায় খুঁজি না। একাকি আমি জীবন ভুমে চলেছি অবিরত তবুও কাছে পেতে
তোমার কথা যখন মনে হয় তখন বেদনার সুরে পাখিকে ডাকি, কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বৃক্ষকে বলি! তোমার দেওয়া আঘাতের কথা। নদীর স্রোতে হাত ভিজিয়েও তোমার কথা বলি, সমুদ্রের পাড়ে তোমার নাম
হিংসা-অহংকার নয় ভালবাসা দিয়েই ,,পৃথিবী জয় করতে হয় ** কি হবে,,,, প্রচুর সম্পদ-সম্পত্তি দিয়ে,,, যদি এই সম্পদে মানুষের উপকার ই না হয় !! যদি বিশাল সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্বেও,, মানুষ
মেঘ পঞ্চ মালা সাজিয়েছে ঈশান কোণ গুরুম গুরুম দিচ্ছে ডাক; আলপনা সাজিয়ে উঠুন জুড়ে চৈত্র শেষ মিতালীর ভেঙেছে কি রাগ? সোনাইল কৃষ্ণচূড়া মঞ্জুরিত বাগান ভরা খড়তাপ এলো বৈশাখী খড়া; বর্ণাঢ্যময়
মানুষ তার প্রিয় মানুষকেই নিজের মুল্যবান সময়টুকু দেয় যখন দেখেছি আমার জন্য তোমার কোন সময় নেই বুঝেছি- তোমার ভালোবাসার পারদ ক্রমশই নিম্নমুখী। অথচ – অথচ দেখো, এ-ই আমি— এ-ই আমিই
কত জনকে কত কী দিলাম, কত কী করলাম, মরণকাল আজ প্রশ্ন জাগে মনে, কী পেলাম? কর্মসাধনে বলেছিল সবে কত কী দেবে ধরণী, আজ বুঝি কেউ ভাবেনি, কেউ কথা রাখেনি। বলেছে
মায়ের মুচকি হাসি ঈদের চাঁদের মতো মা তোমায় ভালোবাসি বুঝাবো তা কতো। ঈদের চাঁদ তো আসে মা বছর ঘুরে ঘুরে তুমি তো মা সেই কবে গেলে এলেনা আর ফিরে। ঈদের