ভালো আছি, অনেক ভালো আছি নিজস্ব ব্যক্তিসত্বায়, প্রফুল্লচিত্তে আমার সাহিত্য বলয়ে,সাচ্ছন্দ্যে আছি আমি এখন ভালো থাকতে শিখে গেছি। স্মৃতির বেদনা আর আমাকে স্পর্শ করে না ব্যস্ত শহরে দ্বিধাহীন ব্যথাগুলোকে নির্বাসন
চব্বিশে মে জন্ম তোমার ওগো দুখু মিয়া, মানবতা সাম্যবাদে ভরালে যে হিয়া। কোকঁড়ানো কেশ পাঞ্জাবি বেশ রূপ লাবণ্যে ভরা, বিদ্রোহী গান কাব্য লিখে কাঁপিয়েছেো ধরা। দারিদ্র্যতা আঁকড়ে ধরে তোমার শিশু
জীবন রক্ষায় পরম বন্ধু নির্মল রাখে.. মন, বাঁচার জন্য আশ্রয় মোদের আজ অরণ্য বন। জাতির স্বার্থে ব্যক্তির স্বার্থে গাছের রোপণ চাই, সুস্থ সুন্দর সমাজ গড়তে বিকল্প যে…… নাই। বৃক্ষ মোদের
কানামাছি প্রিয় খেলা চক্ষু পেঁধে তাড়া! বিকেল হলে ধানের ক্ষেতে লুকোচুরি সারা। ছেলে মেয়ে জড়ো হয়ে দল বেধেছে মাঠে, দুটি দলে ভাগ হয়েছে স্বপ্ন নদীর ঘাটে। বন্ধু মহল মাঠের মাঝে
জেনে রেখো অবহেলা পেলে ধূলায় গড়াবো অবহেলা পেলে ছিঁড়ে ফেলে দেবো বুকের বোতাম, যা তুমি ছুঁয়েছো কাঁপা কাঁপা হাতে। অবহেলা পেলে নেভাবো প্রদীপ একটি ফুঁয়েই ঘুঁচাবো আঁধার, যেখানে ডুবেছো,আদ্যপ্রান্ত, মুখ
নন্দিনী শত কাজের ভীড়ে যখন তোমায় মনে পড়ে আমি দিশেহারা হয়ে তোমায় খুজে ফিরি, অতীতের সেই নিবিড় প্রেম ও হৃদয়ের মুগ্ধ আবেগ নাড়া দেয় আমার মনের গহীনে। আজও তোমার ছবি
কয়লা বলে দেখতে আমি কালোর কালো জানি, সবাই বলে কয়লা ধুলেও যায়না ময়লা মানি। কতোই ঠাট্টা বিদ্রুপ করো আমার নামে কতো, এখন দেখি আমার কদর বুঝছে সবাই ততো। সুদূর প্রবাস
গভীর ভাবাবেগে কখনো ভালোবাসি বলবে না, আমার জন্য নিশুতিরাত জাগরণ করবে না। কে আমি তোমার বলো? স্বার্থপর হৃদয় আবেগশূন্য বন্ধু! কিন্তু শুনে রাখা ভালো আমিও তোমাকে ভালোবাসি তবে ভালোবাসা অতোটা
আমি সুস্থ সাহিত্য চর্চার বিনির্মানে আদর্শিক প্রণোদনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করতে সুশীল সমাজের উচ্চবর্গের সেবার হাত যেন কল্যাণের প্রতি এগিয়ে আসে তাই কিছু গঠনতান্ত্রিক সমালোচনা কিংবা প্রতিবাদের আদলে
শরতের নীলাকাশের সাদা মেঘের ভেলা সরিয়ে শিশিরে ভেজা স্নিগ্ধ ভোরের দূর্বা ঘাস মাড়িয়ে আর শুভ্র কাশফুলের নরম ছোঁয়া নিয়ে তুমি কি আর আসবে না সখা আমার প্রীতির বারান্দায়। ডিমের কুসুমের