কবি –-গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // রক্তকণিকা _____/গুলশান আরা রুবী খোলাসা আচরে কাটছে জীবন, খুঁজেছি অমৃত সুধার অমূল্য ধন। এক সাঁকো থেকে অন্য সাঁকো পার হই, খুঁজতে খুঁজতে শ্বাস
কবি –-গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // “স্বদিচ্ছা” ……গুলশান আরা রুবী ইচ্ছেগুলো আঁখি কোণে- হৃদয়ের অভিপ্রায় বুনে উনুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন প্রত্যাশা তাই মেঘাচ্ছন্ন। স্বদিচ্ছা কেন ভেঙে যায়- যে ইচ্ছায় শত
বাপ দাদার রওসূম রেয়াজ বনাম কুরআন হাদিস কাজী নজরুল ************************* মসজিদে কাল শিন্নি আসিবে- অঢেল হালুয়া রুটি , ভুরিভোজ হবে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি। একটি কথাও কবেনা মোল্লা
রাতের আকাশ ভরে গেছে লক্ষ তারার ফুলে। স্নিগ্ধ চাঁদের জোছনা ঝরে দেখো জানলা খুলে। বাশ বাগানে জোনাক জ্বলে দেখো একটু দূরে। ঝিঝি পোকা গান গেয়ে যায় চিরচেনা সুরে রাত জাগা
আজ হয়তো ক্ষমতা আছে চিরদিন কিন্তু থাকবেনা , মৃত্যুর পরে ঘরের মাঝে একমিনিটও রাখবেনা । ক্ষমতা হলো জোয়ারভাটা আজকে আছে কালকে নাই , চিরসত্য এমন কথাটা অনেক লোকেই ভুলে যাই
ভোর বেলাতে কিচিরমিচির, ডাকছে পাখি ঐ, লাঙ্গল কাঁধে ছোটছে কৃষক, সাথে নিয়ে মই। জমিতে কৃষক হাল চাষিয়া, ফসল করবে চাষ, ছেলে মেয়ে আর বউ নিয়ে, সুখে রবে বারোমাস। কৃষানী রানী
তোমার তো ভাই অনেক সুখ একটু আমায় দাওনা তোমার মত সুখে থাকি তুমি এটা চাওনা? খাচ্ছ তুমি নাচ্চ তুমি আমি কেন কাঁদবো তোমার মতো সুখী হতে কোমর বেঁধে নাচবো! তোমার
বিবেক জেনে করিতেছ পাপ আবেগের দোষ কি তাতে! হারাম জানিয়া খাচ্ছ সুদ অন্যের উপর করিয়া জুলুম সৃষ্টি, ফাইল ঠ্যাকিয়ে খাচ্ছ ঘুষ মিথ্যা ছলনায় ভাব ধরে। নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য উচ্চ
স্বাধীনতার কথা বলে অসভ্যতার পথে চলে, নেই তো কোন মান, শালীনতা ভুলে গিয়ে ছোট্ট পোশাক গায়ে দিয়ে করে কত ভান। মূল্যবোধের ভীষণ অভাব মন্দ কর্ম করা স্বভাব চরিত্রের নাই ঠিক,
আধাঁরে ছেয়ে যায় পৃথিবী ফিরে কয়েক ঘন্টা পরে জীবনে আঁধারে ঢাকে যখন কেউ আর না ফিরে। অস্ত যায় রবি শশী নিয়মের মধ্যে ঘুরে ফিরে জীবন গল্পের অস্ত গেলে কেউ না