ছোট কাল ছিল কষ্টের বাবা ছিল না বেঁচে জীবন সংগ্রামে করেছেন যুদ্ধ আরব আমিরাতের দেশে। প্রবাস জীবন ব্যাবসা করেন দেশের মায়া ছেড়ে বছর শেষে দেশে আসেন ছয় মাসের ছুটি নিয়ে।
খোঁজার অভিলাষ প্রত্যহ অলস নীলিমায় বেশি কিছু নয় অন্য এক আকাশ সীমানায় , যেই হাত বাড়াই,,অনেক বড় কি উদারতা? কল্পনা ফানুস হয়ে উড়ে ঘুড়িচিত্রের কাম্যতা। চেয়েছি শুধু একটি শক্ত-হাতের বিশ্বস্ততা
বহু পথ মাড়িয়েছি বহু ঘাটে নেমেছি বহু জনের সাথে হয়েছে পরিচয় হয়েছে ভালো মন্দ কথা অনেক। আছে সবাই উন্নত হতে কোনো না কোনো দিক আবার পেয়েছি এরই মাঝে খুঁজে কারো
০১/আমি জেলখানা থেকে বলছি মোঃমেহেদী হাসান আমি একটি ছোট্র শিশু পেটের ক্ষুধা মিটানোর জন্য কতো মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে ছিলাম। কেউ দেয়নি আমাকে কোন খাদ্য দ্রব্য, সবাই আমাকে তারিয়ে দিয়েছে
রাসেল নামের সেই ছেলেটি একটি ফুলের কলি, জোছনা রাতের চাঁদেরকণা তার কথা আজ বলি। হাসতো খেলতো বাবার সাথে মায়ের চোখের মনি বাঙ্গালীদের মনের মাঝে রাসেল সোনার খনি। সেই রাসেলের বুকে
হিংসা আর প্রতিহিংসা রয় না এক কক্ষে ঝগড়া বিবাদ হয় না কখনো এক পক্ষে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অন্তঃ জালা গুলো ধারণ করে রাখে বক্ষে সুখের আশা গুলো এ-ই সুযোগে খেয়ে যায়
আমি জানি, তুমি আমাকেই নেবে জীবনের উপমা নই মৃত্যুর মতো রুঢ় নই এই মূক, অব্যক্ত অহংকারে আক্ষরিক দুঃখমালার সম্ভারে নিতান্ত হেলায় আমাকে হৃদয় দেবে — আমি জানি তুমি আমাকেই নেবে।
এখন বর্ষাকাল হরিণ চাটে বাঘের গাল! উল্টাপাল্টা বললে তুলে ফেলবে ছাল। জোর যার মুল্লুক তার হিসেব করে চলো আপন পর দেখে শুনে কথা মেপে বলো। গরম ভাতে বিড়াল বেজার খেতে
রূপসী এক কন্যা ছিল আমার পশের গাঁয় কমরে তার সোনার বিছা রুপার নুপর পায়। হেলে দুলে হাটত গাঁয়ে পরে হলুদ শাড়ি মুক্তা ঝরা হাসি দিয়ে পরান নিত কাড়ি। তাহার সাথে
কষ্টগুলো ফেলে দেইনি- জমিয়ে জমিয়ে রেখে একটি পাহাড় বানিয়েছি, কান্নাকে লুকিয়ে রাখিনি- সেই পাহাড়ের ঝর্ণাই অশ্রুপাত,তাও মানিয়েছি। সুখের পায়রা বেঁধে রাখিনি তোমার আকাশে উড়িয়ে দিয়েছি নিজের হাতে, দুঃখের নদীতে বাঁধ