কবি –শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম এর কবিতা // অনুরক্তের অনুরনন চিবুকের জং মরচে কেনো? বয়সের উন্মেষে নাকি — সহজাত ঔদার্যবোধ! অবিরাম অক্ষির উপকূলে নয়তো — নিম্নাংশে খেলা করে কালো কাল’চে দাগ!
কবি –মাহফুজা জামান এর কবিতা // ছুটি দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর শেষে ছুটি হবে আম,জাম,লিচু,কাঁঠাল,তরমুজ খাবে। সেই গ্ৰীষ্মের ছুটিটা হলো বর্ষার শেষে এ ছুটিটাও বাদ নাকি রাজনীতি এসে? আজ শিক্ষামন্ত্রী নাকি
কবি –মাহফুজা জামান এর কবিতা // ঘুম ভাঙ্গার ডাক গভীর ঘুমটা ভেঙ্গে যায় যদি চোখের রাতে শেষ প্রহারের দিকে ? সে ঘুম ভাঙ্গার ডাক কে দিলো বলো এই মানবেরে দিকেদিকে?
কামরুন নাহার শিপু কখনো কখনো মনে পড়ে যায়, ম্লান হয়ে যাওয়া তৃষিত মনের অবাঞ্ছিত কিছু কথা। কখনো বা অধীর অপেক্ষার পর যতটুকু প্রেম পাওয়া যায় তাও হেরে যায় অযাচিত কল্পনায়,
আমিনুর রহমান : আমার ছাত্রী অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম তাঁর আম্মু একটা ছেলের সাথে খুব অ’ন্ত’র’ঙ্গ হয়ে বসে আছে। আমি তাদের দুজনকে দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। আমাকে দেখে তারা
আমিনা খাতুন দিপা নীলিমা যেন গাঢ় নীলের উপর সাদা রং, এ-যেনো কোনো শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি। আমি তুরাগ নদীর তরীতে বসে আছি; নদীর পানির জোয়ার ভাটার সাথে চলছে বাতাসের ভীষণ
ফারজানা ইয়াসমিন আমি ইচ্ছে করেই কপালের টিপটা বাঁকা করে পরি, যাতে তোমার দুই হাত আমার কপাল ছোঁয় বারবার। আমি ইচ্ছা করেই চোখে জল ধরে রাখি, যেন আমার দু-চোখ তোমার আদর
ফরিদা ইয়াসমিন তোমাকে নিয়ে কত কত স্বপ্ন বুনি, একটা ঘর বাঁধবো সেই মেঠোপথ পেরিয়ে খোলা আকাশের নিচে, ঘরটা হবে তোমার আমার স্বপ্নপুরী, ঘরটা হবে বাঁশের বেড়া আর খড়ের ছাউনি দখিন
রকিবুল ইসলাম আমি হাসিতাম, তুমি হাসিতে বলিয়া। আমি কাঁদিতাম, তুমি কাঁদিতে বলিয়া। আমি মুঠো মুঠো দুঃখ কুড়াইতাম, তুমি দুঃখিত ছিলে বলিয়া। আমি সুখ অন্বেষণ করিতাম, তুমি সুখী ছিলে বলিয়া। অভিমানী
মোর্শেদা চৌধুরী এ্যানি আমি এমন শিক্ষক চাইনা মাগো; যে শিক্ষকের মন-মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গী উদার প্রকৃতির নয়, আমি এমন শিক্ষক চাইনা মাগো যে শিক্ষকের অন্তরের গহীনে বিরাজ করে হিংসা, নিন্দা, ভয়!