আমরা কজন তরুণ মাঝি ধরেছি স্বপ্নের হাল, অত্যাচারের শিকল ভেঙে উড়াবো নতুন পাল। নবীন প্রবীণ পাশে আছে আমরা নইকো অবুঝ! রক্ত ভেজা দেশটাকে আজ করবো মোরা সবুজ। নতুন করে বাংলা
আমার একটা পৃথিবী চাই যে পৃথিবী কখনো আমায় কাঁদাবেনা- পৃথিবীর চোখে চোখ রেখে বাকিটা সময় পাড় করে দেবো। আমার একটা নদী চাই যে নদীতে সাঁতার না জানলেও ডুবে যাবোনা- আমার
সাহিত্যকে ভালোবেসে বুক করে টলমল, ফিলিস্তিনের কাব্য কথা আমরা ঐক্যদল। লেখক লেখিকার মিলনমেলায় বাংলায় ইরানি ঢল, ফিলিস্তিনকে ভালোবাসি চোখে আসে জল। ধর্ম গোত্র সর্বোপরি ভালোবাসি তাকে, কলম সৈনিক এসেছিল হাজার
সবুজ ছায়ায় বাড়ি আমার সুরের কন্ঠে ডাকি, মগডালেতে বসে আছো বউ কথা কও পাখি। বউ কথা কও! বউ কথা কও! গাছের ডালে বসে, মধুর সুরে ডাকছো নাকি অমন ভালোবেসে। আসবে
রাজারহাট-কুড়িগ্রাম। ধন-সম্পদ,মান সম্মান সবাই করে বরণ। মানি লোকের মান সবাই দেয় সম্মান। জ্ঞানী লোকের জ্ঞান সমাজ করে ধারণ।
কিছু নেই আর আমার কাছে! সব বিলিয়ে দিয়েছি জলের দামে ; এখন চারিদিক শুধু কালো বিষাক্ত বাতাস! মেঘমালাদের ভীড়ে একটুকরো নীল আকাশ খুঁজেছিলাম; পাওয়া হয়নি! মাটির বুকে দাঁড়িয়ে থাকা বিস্তৃত
ষোল বছর দেখিয়েছো বর্বরতা হারিয়ে ফেলেছিলে তোমরা মানবতা ছিলোনা তোমাদের এতোটুকু সততা আজো কেন করছো তোমরা কুটিলতা? শাসনের সাথে ছিল শুধুই শোষণ ভালবেসেছো তোমরা করতে তোষণ কাউকে ভাবোনি মানুষ একটি
সময়ের আবর্তনে সাগর হয় নগর, নগর হয় নদী এঁকে বেঁকে ছুটে চলে, ভাঙ্গে আর গড়ে নিরবধি! স্মৃতির পাতায় আজো দেখি হায়, একা নিরালায়, অলস প্রহর গুনি, শুন্যে দৃষ্টি আবীরের নীলিমায়!
যদিও উঠেছে নতুন সূর্যোদয় তবুও ঘন কালো মেঘের আবির্ভাব বিজয়ের ডঙ্কায় যদিও কিছুটা হলেও শান্ত হয়েছে কুচক্র প্রহেলিকা । তবুও বারবার আছাড় খেয়েছি বায়ান্ন,একাত্তর, নব্বুইয়ের অকল্যানের দুর্বোধ্য কুহেলিকায়, চব্বিশ এনে
চোষো, যত ইচ্ছে চোষো লীলাবতী রস নিজের ভেতরে পোষো জীবাশ্মের কস। মৃন্ময়ী ঠোঁট দিয়ে যদি পারো সবটুকু করো আস্বাদন জলকে কাঁদতে দাও মরুভূমি যেমন কাঁদে বালির বেদনা শুনে। খা খা