প্রাক- প্রাথমিকের ছোট্ট সোনামণি, ছিল ছাত্র শিক্ষকের নয়নের মণি। মাতা- পিতার আদরের সন্তান, মায়া মমতায় ভরা এক পৃথিবী সমান। অভিভাবকের দেয়া নাম ছিল জয়দ্বীপ, কে জানতো হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় নিবে
ভালোবাসা মানে তো জোর করে বাঁধা নয়, ভালোবাসা মানে তো মনের মাধুরী মিশিয়ে কারো জীবনকে রাঙিয়ে তোলা, তবে কেন তার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে তাকে ব্যথিত করো? যদি তার হাসিতে খুঁজে
মিলে-মিশে একাকার, আশা আর ভরসা, মানবতাকে মিষ্টি মুখ করে, গিলে খেয়েছে, স্মৃতির পাতায় জমছে শুধুই হতাশা, লাভের লোভে হারায় জ্ঞান, একে অপরকে ঠকিয়ে আনতে চাই সুখ, চাকরি না পেলেই, যেতে
মাঝে মাঝে খুব চিৎকার করে কান্না করতে ইচ্ছে করে কিন্ত পারিনা। কিছু কষ্ট থাকে একান্তই নিজের যা মানুষকে দেখানো বা বুজানো যায় না। আচ্ছা! কষ্টগুলি মানুষকে এইভাবে ধুমরে মুচড়ে চুড়মার
আকাশ তুই বরাবর একই কায়দায় একই কৌশলে মেয়েদের এতো সহজে প্রেমে ফেলিস কেমন করে বলতো? আরে দোস্ত আজকাল শুধু আমি না কিছু মেয়েও এমনটা করে। বারেক বললো, এমন অন্যায় গুলো
আসবে বন্ধু দেখতে পল্লী গাঁয়ের রূপের মায়া সবুজ শ্যামল অরণ্যতে পাবে রূপের ছায়া। খালের ঝিলে রঙিন শাপলা চোখ জুড়িয়ে যাবে, নীল গগনে ঊষার আলো মনটা ভরে পাবে। সোনার ফসল ফলায়
বঙ্গবন্ধুর নিয়ে লিখব কবিতা আর ছড়া, জানুক নবীন তরুণ সবাই বাংলা তার’ই গড়া। গর্জন হুংকার ভাষণ দিয়ে শক্তি জাগায় মনে, সেই ভাষণে দেশ স্বাধীনের লড়াই করে রণে। স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়
সাধুর বেশে বেশ্যার ভূষণ মুখোশধারী বেশ, বিবেকবোধে লজ্জায় মরে ভাবে মরলে শেষ! বেশ্যা মরলে লাশের গন্ধ বাতাসে তাই ভাসে, বিভেদ খোঁজে মোল্লা বংশ থাকে না কেউ পাশে! বেশ্যার দাফন করলে
ভুতটা ছিলো দেখতে বিশাল দেহের অধিকারী দিনের বেশীর ভাগ সময় সে ঘুমিয়ে কাটায়, সন্ধ্যায় জেগে উঠে এজন্যে সন্ধ্যায় বাহিরে গেলেই মা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়ে কবে কি হয়ে যায়। মা
হঠাৎ খানিকটা বৃষ্টি ফোঁটা এসে ভিজিয়ে দিয়ে গেল আমার বন্ধ ঘরের জানালার পর্দা , আর সাথে করে নিয়ে চলে গেল আমার মাঝ রাত্তিরের তন্দ্রাচ্ছন্ন বিলাস! প্রচন্ড তাপদাহকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে