ভালোবাসি বলেই ভালোবাসি বলি না অন্তরে আছ বলেই হাতে হাত রাখি না। চারপাশে আছ মিশে আমার তাইতো আর তোমায় খুঁজি না। একাকি আমি জীবন ভুমে চলেছি অবিরত তবুও কাছে পেতে
তোমার কথা যখন মনে হয় তখন বেদনার সুরে পাখিকে ডাকি, কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বৃক্ষকে বলি! তোমার দেওয়া আঘাতের কথা। নদীর স্রোতে হাত ভিজিয়েও তোমার কথা বলি, সমুদ্রের পাড়ে তোমার নাম
হিংসা-অহংকার নয় ভালবাসা দিয়েই ,,পৃথিবী জয় করতে হয় ** কি হবে,,,, প্রচুর সম্পদ-সম্পত্তি দিয়ে,,, যদি এই সম্পদে মানুষের উপকার ই না হয় !! যদি বিশাল সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্বেও,, মানুষ
মেঘ পঞ্চ মালা সাজিয়েছে ঈশান কোণ গুরুম গুরুম দিচ্ছে ডাক; আলপনা সাজিয়ে উঠুন জুড়ে চৈত্র শেষ মিতালীর ভেঙেছে কি রাগ? সোনাইল কৃষ্ণচূড়া মঞ্জুরিত বাগান ভরা খড়তাপ এলো বৈশাখী খড়া; বর্ণাঢ্যময়
মানুষ তার প্রিয় মানুষকেই নিজের মুল্যবান সময়টুকু দেয় যখন দেখেছি আমার জন্য তোমার কোন সময় নেই বুঝেছি- তোমার ভালোবাসার পারদ ক্রমশই নিম্নমুখী। অথচ – অথচ দেখো, এ-ই আমি— এ-ই আমিই
কত জনকে কত কী দিলাম, কত কী করলাম, মরণকাল আজ প্রশ্ন জাগে মনে, কী পেলাম? কর্মসাধনে বলেছিল সবে কত কী দেবে ধরণী, আজ বুঝি কেউ ভাবেনি, কেউ কথা রাখেনি। বলেছে
মায়ের মুচকি হাসি ঈদের চাঁদের মতো মা তোমায় ভালোবাসি বুঝাবো তা কতো। ঈদের চাঁদ তো আসে মা বছর ঘুরে ঘুরে তুমি তো মা সেই কবে গেলে এলেনা আর ফিরে। ঈদের
কবির কাছে কবিত্ব বিশাল কিছু নয় তবে কবিত্বকলার দৃষ্টান্ত অবশ্যই ফুটে তার স্বত্তায়। শিক্ষা, জ্ঞান, আর মননশীলতায় এক নব প্রতিচ্ছবি, প্রতিচ্ছায় প্রতিদিন বই, কলম তার সহচারী নিত্য রবি। আকাশ -বাতাস,
শিশির ভেজা ঘাসের মতোই তোমার মনটি নরম! সুরভীতে সাজানো তোমার হৃদয় অঙ্গন হে রমণী তোমার হৃদয়ের বাসিন্দা হতে চাই। সূর্যের আলোয় ঝলমলে স্বর্ণালী রোদ চোখে এসে পড়ল! হঠাৎই তাকাতে দেখি
আকাশে নীল জ্যোৎস্না, মুখর সমুদ্র, ঝাউ বীথি, বালিয়াড়ি, নীল শাড়িতে অপরূপা তুমি, বাতাসে তোমার শাড়ির আঁচল উড়ছিল, বললাম, এমন জ্যোৎসনায় আমি তোমার সঙ্গে হাঁটবো কখনো ভাবি নি, তাই বুঝি, ভালোবাসা