দূরত্বের অবগুণ্ঠনে লুকিয়েছো তুমি চাপা রোদ্দুর হাহাকার করে তোমায় ঘিরে দেখো,গ্যালাক্সিটা ঠিক নক্ষত্রের ভূমি অথচ তুমি নেই সেই নক্ষত্রের ভিড়ে! কমলা রোদের বারান্দা ছিলো তোমার দখলে আজ সেখানে চড়ে বেড়ায়
কুয়াশা বিক্রি হয় না কুয়াশা ছুঁয়ে দিলে ভালোবাসার ছোঁয়া মেলে। নীলগিরি দেখা হয়নি বান্দরবনের সার্কিট হাউজের বাংলোয় বেহালা আর তানপুরায় আকাশ হেসেছিলো সেই কবে ভোরের কুয়াশা চাদর বিছিয়ে দিয়েছিলো ঘাসে
জীবনের স্বরূপ স্রোতের অভিরূপ, বর্ণিল রঙে কখনো আনন্দধামে মাতে,কখনো বর্ণহীন সাদা কাগজের নৌকায় ভাসে– জীবন আগামী সময়ের অলিখিত বন্ধনে সঙ্গী হয় সঙ্গত বৃত্তে নানাবিদ শোভন-অশোভন নিত্য পরিক্রমার ছাউনিতে- পর্যালোচনায় একটি
আমাকে মিষ্টি কথা বলা শিখিয়েছে যে সে আজ চলে গেছে বহুদূরে! এমনকি তার ছায়া থেকেও সরিয়ে দিয়েছে আমাকে কি আশ্চর্য্য! দূরে থেকেও তিনি আমার মনে রাজ করে। চিরচেনা মামুষটি আমাকে
ইচ্ছে করে তোমায় দেখি আমার দু’চোখ ভরে আদর-মায়ায় জড়িয়ে রাখি অতি যতন করে । ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে দুর পাহাড়ে যাই হারিয়ে সবুজ শ্যামল প্রকৃতির বুকে নিজেদের মোরা দেই এলিয়ে।
১ম পর্ব বিয়ের প্রায় চার বছর পর রত্না মা হতে চলেছে। এই নিয়ে সংসারে খুশির সীমা নাই।রত্নাও মহা খুশি। সবাই খুবই আদর যত্ন করছে।শ্বাশুড়িও ভারি কোন কাজকর্ম করতে দেয় না।
মা আছে যার এ পৃথিবী তার মা হীনা যে অগ্নি জীবন তার, মায়ের কোল যে পেয়েছে সর্ব সুখী সে- মায়ের চরণ ধুলি যে পেয়েছে জান্নাত তার। মা থাকতে যদি করো
মাগো তুমি আমার কাছে ইছামতীর পানি কুলকুলিয়ে নিরবধি ছড়ানো আঁচলখানি। মাগো তুমি শীতের সকাল উষ্ণ রোদের তাপ তুমি আমার গরম ভাতের ধোঁয়া ওঠা ভাপ। মাগো তুমি পদ্মা নদীর ঢেউ থইথই
কিচ্ছু হবে না লক্ষ্যপূর্ণ, কিচ্ছু হবে না সাধন, কিচ্ছু হবে না কারোর জীবন আদর্শ উন্নয়ন, হবে না সমাজ রাষ্ট্রের নৈতিকতার অগ্রগতি, যতক্ষণ না সত্য প্রতিষ্ঠা করো অন্তরে প্রতি। শতশত মতবাদ
ভোর বিহানে চিড়া কুটার আওয়াজ ছিল, ঘরে ঘরে ঢেঁকি ছিল, ঘাইল চিয়ার প্রচলন ছিল! সপ্তাহের হাটে হামহাম বাজারী শব্দ ছিল, এক ছটাক তেল নুন পিঁয়াজ রসুন হলদি বিক্রি হতো বড়