কবি সানজিদা রসুল এর কবিতা- বর আর ঘর বর আর ঘর এই যদি হয় নারীর স্বর্গ – লাশ পড়ে আছে কেনো শতো- সংসার নামের মর্গে। যুগের পর যুগ সতী নারী
কবি অধরা আলো এর কবিতা- প্রণয়ের দ্বার প্রণয়ের দ্বার উন্মোচিত করে তুমি এলে আপনার চেয়েও আপন হয়ে। খুলে দিলে ভালোবাসার বন্ধ দুয়ার মায়ায় বেঁধে দিলে হৃদয়ের নীড়। মন ছুটে চললো
কবি রোকসানা সিদ্দিক এর কবিতা- ফেরেনি বাবা ঘরে’ পাক-হানাদার পালিয়ে গেছে স্বাধীন হয়েছে দেশ, অপেক্ষাটার প্রহর গোনা হয়নি মায়ের শেষ। দেয়ালে টাঙানো ছবি ধরে মা’ আজও খুব করে কাঁদে, নকশীকাঁথায়
কবি কাব্য কবির এর কবিতা- লাল সবুজের ইতিহাস রাতের বেলা রাতুল সোনা প্রশ্ন করে মাকে, পতাকার ঐ সবুজ বুকে লাল কেন মা থাকে? মা বলে তার টুকটুকে লাল শহীদ ভাইদের
স্বাধীনতা তুমি আমার স্বাধীনতা তুমি তুমি থাক চির অম্লান বাংলার মাটিতে। স্বাধীনতা তুমি আমার স্বাধীনতা তুমি তুমি থাক রক্তে গড়া দেশটাতে। স্বাধীনতা তুমি আমার স্বাধীনতা তুমি তুমি থাক শত ভাইয়ের
কবি নাসিমা ইসলাম এর কবিতা- অর্জিত বিজয়ের সম্মান বিজয় এসেছে তেজোদৃপ্ত বীরদর্পে নয়মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরে, রক্তলাল সবুজের পতাকা নিয়ে মহান বিজয় এলো ষোলই ডিসেম্বরে । কত বীরাঙ্গনা হারিয়েছে সম্ভ্রম
কবি তাহেরা খাতুন এর কবিতা- বাংলা আমার স্বাধীনতা কাকে বলে? মুর্খ আমি,বুঝিনা কিছু- শুধু জানি প্রাণের সুর দিয়ে * মা* বলে ডাকা, মায়ের কোলে পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকা। সকাল হতেই
কবি আমিনা খাতুন দিপা এর কবিতা- বিজয় বাবার মুখে শুনেছিলাম মুক্তিযুদ্ধের কথা, মানুষগুলোর কষ্ট শুনে দুঃখ পেলাম তথা। পাক হায়েনা করলো গুলি ঠান্ডা পানির মাঝে, আমার বাবা ডুব দিয়েছে সকাল-দুপুর-সাঁঝে।
কবি আমেনা ফাহিম এর কবিতা- একাত্তরের বীরাঙ্গনা একাত্তরের বীরাঙ্গনা বোনেরা আমি লজ্জিত তোমাদের আত্মত্যাগ এর বিনিময়ে অর্জিত বাংলা আজও ধর্ষিত…….. একাত্তরের সেই হায়েনার দল এখোনো আছে… এখোনো ওরা হিংস্র, ওরা
কবি মুক্তা পারভীন এর কবিতা- বিজয় আমার অহংকার যুদ্ধের পরে জন্ম বিধায় বিজয়ের উল্লাস আমি দেখিনি, তবে মায়ের কাছে শুনেছি বহু গল্প—– বহু ইতিহাস। পাকসেনাদের নির্মম অত্যাচার, বহু মায়ের আত্মচিৎকার