মুক্তা পারভীন আমিও চাই কেউ একজন আমায় খুব ভালোবাসুক আমার একাকিত্বের সঙ্গী হোক সঙ্গী হোক নিঃসঙ্গতায়। দুঃসময়ে আগলে রাখুক হাতে হাত রেখে বলুক — আমি তো আছি – ভয় কিসের?
এম.এ.মান্নান.মান্না তুমি প্রতিদিন আমার সামনে দিয়ে হেঁটে হেঁটে যাও আর মিট মিটিয়ে হাসো, আর লুকিয়ে লুকিয়ে দেখো আমাকে। আসলে তোমার ভালোবাসা আমি বুজতে পারিনা তোমার চোখ বলে আমায় তুমি ভীষণ
আব্দুছ ছালাম চৌধুরী সেই দিন থেকে ঘুরপাক খাচ্ছিলো আমারই বোধ; আর ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় থাকা প্রতিচ্ছবি, ঠোঁটে যতই বেসেলিং মাখি না কেনো, সেই ক্ষত দাগ আর যায় না— অপরিচিত সেই
মুক্তা পারভীন মাঝে মাঝে নিদ্রা দেবী দৌড়ে পালায় রাত বিরাতে তাকে খুঁজতে গিয়ে সন্ধ্যা নেমে আসে প্রভাতে। মাঝে মাঝে দৃষ্টিতে আমার নেমে আসে বিষন্নতা একাকিত্বের দীর্ঘশ্বাসে ছেয়ে যায় পুরো চিত্ত।
রশিদ হারুন শহরের ব্যস্ত চৌরাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে আমাকেই ছুঁড়ে দিলাম টুকরো টুকরো করে। বুকের সমস্ত শক্তি দিয়ে চিৎকার করে বললাম, কারো দরকার পড়লে কুড়িয়ে নিতে পারেন আমাকে, যার যেটুকু লাগবে,
সুনির্মল বসু ডাহুক ডাকা সকাল ডাক দিয়ে যায় ভোরের ঠিকানায়, শাপলাশালুক জেগে থাকে ঝিলে ,মাছরাঙ্গা পানকৌড়ি উড়ে যায় বিলে, পদ্ম পাতার শিশির ভেজা সীমানায়, গঙ্গা ফড়িং প্রজাপতি বন্ধু হয়ে যায়,
মাহাবুব আহমেদ ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে বসন্তের রঙ গুলো ছুঁয়ে দেখতে তা আর পারলাম কই শুধু নিজেকে পুড়িয়ে মারি বিরহের অনলে। বসন্ত চলে যায়, আবার ফিরে আসে একাকী এই জীবনে
মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী শিল্প সাহিত্য চর্চা হচ্ছে যুগে যুগে মানব সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকে অদ্যাবধি। সেই আড়াই হাজার বছর আগের গ্রীক সভ্যতার যুগ থেকে এ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেশে, ভারতীয় সভ্যতায়,
নাসরীন জামান তোমার শহরে মধ্যরাতের কোলাহল থেমে গেলে ঘরের মানুষরা একে একে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আকাশে একলা জাগা নিঃসঙ্গ চাঁদটাকে সাথে নিয়ে কেঁদে নিও, নিঃশব্দে কেঁদে নিও, মন ভরে কেঁদে
নীতুল ইয়াছমিন দুঃসময় চলছে ভীষণ বিষণ্ণতায় কাটছে পোড়াচ্ছ হৃদয় তবুও অটুট মন স্থির তার গতিবিধি পরিচ্ছন্ন চিন্তা চেতনায়। জীবনের রূপ বহুমাত্রিক গোধূলির রং-এর মতো সাজে- আবার তিমির রাতের রূপও ধারণ