ব্রাশ ধরেছে দুটি হাতে রঙিন তুলের ছোঁয়া, স্বৈরাচারী পতন করে অন্তর ময়লা ধোয়া। স্বাধীন বাংলার রঙিন হবে খোকা খুকুর কাজে, রাঙা হলো শহরতলী হাজার রঙের সাজে। আনন্দেরই রংধনুতে সাত রঙেরই
এক. কর্মহীন জীবন যন্ত্রণাময় অগ্নিগোলার মতো, যা মনের চিন্তা চেতনা স্বপ্ন সবকিছু জ্বালিয়ে মূল্যহীন ছাইয়ে পরিণত করে দেয়। অলসতার অলিক সব স্বপ্ন ভিড় করে, জীবনের সব স্বপ্নকে দুঃস্বপ্ন করে মাতালের
মৌলিকত্ব খুঁজে বেড়াই আমি আমার মাঝে কখনও পাই কিছুটা খুঁজে আবার কোনো কোনো জায়গায় হেরে যাই। ভাবছি আমি মানুষ একটাই তবু কেনো আমার মাঝে বিদ্যমান এতো রূপ ঘরে – বাইরে
আমাদের বাচ্চা ছেলেমেয়েদের বই খাতা পেন্সিল কলম কাঁধে করে এই সময়ে স্কুল-কলেজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকার কথা ছিলো। কিন্ত,দুর্ভাগ্যবশত তাদের হাতে উঠেছে ইটপাথর,লাঠি,বাঁশি! তারা রাজপথে নেমে আসতে হলো
আমার আমিতে আমি মিশে আছি কেউ নাই পাশাপাশি, কাছাকাছি সাগর নদীতে মিশে এক হয়েছি আজো কারো অপেক্ষায় আছি। আমার আমিতে মিশে আছি ধু ধু বালুময় মরুভূমি। আমার আমিত্বতে কি তুমি?
অনেক দিন একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম বাড়ীর পোষা কুকুর’টা ভিক্ষুক দেখলেই ঘেউঘেউ করে তেড়েমেরে লাফিয়ে উঠে। প্রতিনিয়ত কুকুরের এহেন আচরণে ভিক্ষুকের মনে দারুণ যন্ত্রণার কারণ হলো। কতো মানুষইতো এই বাড়ীর
খোকা খুকু আঁকছে ছবি রঙ তুলিতে হাতে, স্বৈরাচারীর শোষণ দমন উঠছে ফুটে তাতে। বীর শহীদের জীবন নাশে করলো সবে পণ, স্বৈরাচারীর শোষণ রুখতে আছে অনেক জন, আকাশ থেকে হেলিপ্যাডের গুলির
দাদি, নানি শাশুড়ি গো নানা শশুর দেখা, দাদা শশুর অনেক আগে মৃত্যুর খাতায় লেখা। ফুপু শাশুড়ী চারটি বোন চাচা শশুর একাই, অর্ধাঙ্গিনী প্রথম মেয়ে আমি গুষ্টির জামাই। নানির দেবর নানা
কবি রুহুল আমিন বর্তমানের সাতক্ষীরা জেলায় জন্মগ্রহণ করা একজন উদীয়মান তরুণ কবি। যিনি তার অনন্য লেখনীর মাধ্যমে পাঠকদের মন জয় করে নিবেন বলে মনেকরি। তার লেখার ধারায় উঠে আসে সমাজের
মিথ্যে মামলায় মাথা ঠুকেছি দ্বারে দ্বারে অশ্রুসিক্ত চোখে ঘুরেছি যে বারে বারে। সারাটা মাস,বছর হয়েছি শুধু নিরাশ পাইনি যে কোথাও শান্তিতে বাঁচার আশ। ফ্যাসিবাদীরা মুখ তুলে দেখেনি একবার সংসারে কারো