ক্ষান্ত হল নৌকা বাই দুলছে ধানের শীষে, ভূমিদস্যু, দখলদারি ওত পেতেছে বিষে। জামাত ঘেরা লাঙ্গল কাঁধে শত দলের হানা, সুযোগ বুঝে পরজীবী ফন্দি তাদের জানা। সমন্বয়ের আজান শুনে সৈন্য সাজে
সম্প্রতি যারা ভুলে, তারই রক্ত খায় ইতিহাস খুলে জন্মই তাদের অর্জিত পাপ, উপড়ে ফেলো সমূলে। কেউ কেউ যখন প্রশ্নবোধক হয়ে দাঁড়ায় অভিনেত্রী নওশাবার কথা মনে পড়ে যায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলম
জানালার গ্রিল ধরে তাকিয়ে থাকা সেই মেয়েটি,, আজ হাসতে শিখেছে, কথা বলতে শিখেছে। দুপুরের তপ্ত রোদের অভিসার পেরিয়ে চুপিচুপি গোধূলি যখন নামে, ঠিক তখন সন্ধ্যা তারা ওর চোখের কোনে ভিড়
প্রিয়তমা, আয়না ঘরের দশটি বসর আমি শুধু তোমাকে ভেবেই বেঁচে ছিলাম! বিশ্বাস করো তোমার গভীর প্রেমটুকুই আমাকে বাচিঁয়ে রেখেছে। আয়না ঘরে প্রেমহীন মানুষ যার হৃদয়ে প্রেম নেই বড়জোড় কয়েক মাস
ধূলির ঢাকায় তারা আজ অস্পষ্ট, অব্যক্ত, কালের স্রোতে হারিয়ে গেছে সেই স্বর্ণযুগের চিহ্ন, মল্লিকাদের নাম আজ কেবলই স্মৃতির ছায়া। তারা একদিন ছিল সবার মুখে মুখে, গান, কবিতা, কাব্যে খুঁজে পাওয়া
ঘাতপ্রতিঘাত ধন্দ হিংসা বিদ্বেষ চাইনা এদেশ মা মাটি কোমল শিশু সবাই ভালো থাকুক, শান্তিতে যেন হয় দিনযাপন আর মৃত্যু চাইনা আপনজন নিয়ে নিরাপদে সকলেই স্বাধীন থাকুক। মায়ের একটি সন্তানও যেন
মৃত্যুর ভয় পালিয়ে গেছে শুনছে না যে বাধা, চিন্তা বিবেক বুদ্ধি ছেড়ে চক্র গোলক ধাঁধ। দেশের ক্ষতি সাধন করে থাকছে বীরের বেশে, গুনতে হবে আমজনতার লক্ষ টাকা শেষে। কিসের নেশায়
ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই সুদূর সীমান্ত পেরিয়ে অচেনা কোন গাঁয়, যেথায় নেই শহরের মত আলোর ঝলক কোলাহল। চেনা মানুষের ভীড়ে অচেনা মুখোশ! অপরিচিত নতুন মুখ, সঙ্গীহীন জীবন থাকবে না সমাজের
রক্ত ফোটা শুকিয়ে গেছে গন্ধ গেছে সরে, লাশটি এখন মিলিয়ে গেল মাটির গহ তরে। স্বজন তাদের খুঁজে বেড়ায় কষ্টের নদী চলে, দেশের জন্য জীবন দিল সত্যের কথা বলে। খুঁজে খুঁজে
হাজারো ছাত্রের লাল রক্তে জাতি হলো আজ কলঙ্কিত এদেশের বড় কর্তা আর প্রশাসন হলো গণতিকৃত। বাংলার মাটিতে তৈরি হলো আজ কলঙ্কিত ইতিহাস হে বাংলার আমজনতা সকলেই করোনা আর হাঁসফাঁস। সকলে