এই বিরতিহীন সময় নিয়তির ছলা কলা এনে দেয় জীবনে রোজ শত ক্লান্তি, তুমি যদি খানিকটা জেনে কিছু পথ খুঁজে মুছে ফেলি অতীতের সব ভুলভ্রান্তি। পুনরায় এসে একবার ছুঁয়ে দিতে ব্যথাভার
চলো যাই বহুদূর পেরিয়ে রোদ্দুর। হাতে রেখে হাত সব বাঁধা কপোকাত। তুমি আমি দু’জনে মিশে রবো কূজনে। বাতাসের গর্জন করে যাব বর্জন। ধুধু বালি চারিদিক তবুও মোরা নির্ভীক। মেঘেদের লুকোচুরি
মহান প্রভুর দেয়া জ্ঞান, করি যে শিশুদের মাঝে দান। স্বপ্ন দেখি মানুষ হয়ে তারা, দেশের কল্যাণে রাখবে অবদান। ডাক্তার হয়ে করবে রোগীর সেবা, আমার চেয়ে হবে সুখী তখন কেবা? প্রকৌশলী
আষাঢ় এলেই গাছে গাছে ফুটে কদম ফুল, ফুলগুলো যে এমনই গোল যেনো কানের দুল। চালের উপর বৃষ্টি ফোঁটা পড়ে দামুড় দুমুড়, কচু পাতার ছাতা মাথায় কিশোর কাটায় দুপুর। নদীর ধারে
বর্ষায় বইছে মিষ্টি হাওয়া আষাঢ় মাসের কালে, সুভাষ ছড়ায় সাদা হলুদ কদম ফুলের ডালে। গন্ধ ছড়ায় সকাল বিকাল বাতাস বহে দিলে, টুপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে আমার বাড়ির ঝিলে। বৃষ্টি ভেজা
নিজেকে জানো,নিজেকে মানো, নিজেকে দাও সময়, বুঝে নিও–দিন শেষে কেউ কারো নয়, একথা কবি নিরানন্দ কয়। এতই কি সহজ নিজেকে জানা, জানলেও কি তা কবু হয় যে মানা? কেউ কি
আষাঢ় এসেছে তার রুপ নিয়া, সকাল থেকে নিভু নিভু করে যে দিয়া, চারিদিকে ফুটেছে কদম আর কেয়া। তপ্ত ধরনী হলো সতেজ, প্রকৃতিতে তাই খুশির আমেজ। ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে
ক’দিন ধরেই চলছিলো রৌদ্র ছায়ার মিছিল, জৈষ্ঠ্যের কাঠফাটা রোদে কাকেদের হাহাকার শুনেছি; অভিমানে মুখ লুকিয়েছে চাতক পাখির দল। এমনই সময় আষাঢ়ের আগমনী বার্তা নিয়ে চারিদিকে তুললো সোরগোল । প্রকৃতির অমোঘ
মন জয় করতে প্রোয়োজন ভালোবাসা যে ভালোবাসায় থাকবে শুধু শুদ্ধু আশা। যেখানে নেই ভালোবাসা সেখানে কিসের আয়োজন যেখানে নেই কোন আশা তা হলে এই ঘরে বসত করার কি প্রয়োজন? যদি
আমার একটা তুমি চাই যে তুমিটা আমাকে সবসময় বুজবে আমার হাসি-কান্নার সাথী হবে। আমার একটা তুমি চাই যে তুমিটা আমার – মান-অভিমান বুজবে সুখ-দুখে কাছে টানবে আর আমাকে শক্ত করে