তুমি নজরুল নেই তাতে ভুল তোমার আশীর্বাদে, মন থেকে তাই ছড়া লিখি ভাই ছন্দ ও সুর সাধে ! জন্মেছ তুমি জন্মের পর কতো না লিখেছ লেখা, বিদ্রোহী মন চঞ্চল প্রান
তুমি বলেছিলে এরপর দেখা হলে নীল অপরাজিতা দিয়ে চা বানিয়ে খাওয়াবে; আমি জানি আমদের দেখা হওয়াাটা সচারাচর কষ্টসাধ্যই নয় দূরুহও বটে। তাই ভাবনার অবগাহনে ডুব দিয়ে দেখি স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচের
সুয্যি মামা রাগ করেছে মাথা বেজায় গরম, বুইড়া দাদা তাপদাহে ওই খেয়েছে লাজ শরম। খোকা-খুকি উদাম গায়ে ঘরে কাটায় বেলা, বিড়াল ছানার চেহারা ভার বাইরে নিষেধ খেলা। ঈশান কোণে আঁধার
কলেজের বড় গেট দিয়ে বেরিয়ে ডান দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে নিমকি। প্রতিদিনের মতো মেয়েদের কলেজের পাশে বট গাছটার নিচে অপেক্ষা করে অয়ন । কলেজ ছুটি হলে বেশ কিছুক্ষন সময় কাটায়
মায়া ছিল বড্ড বেশি তাই কি শিথিল প্রেমে মায়ার রাজ্যে করছো বসত মায়ায় বাঁধা ফ্রেমে। মায়ায় ভরা মুখখানি আজ মায়া হরিণ চোখে প্রজাপতির রঙের মায়ায় চোখ টাটালো লোকে ।। মায়ার
আমি একটি জিরো, অন্যের বদৌলতে কখনো হই হিরো। স্বার্থক অঙ্কের যদি থাকি ডানে, সকলে মান্য করে আবার গুণে।( গণনা করা) বামের অঙ্ক হিংসা করে কেটে ফেলে বাবু যদু, আমি আবার
ছুঁয়ে দিলেই লজ্জাবতী যেমন নিজেকে গুটিয়ে নেয়, মানুষ বলে যাদের জানি- তারাও তেমনিভাবে আজ লজ্জাবতী সেজেছে। বিবেকের উলঙ্গপনা ঢাকতে মুখ লুকিয়েছে উত্তপ্ত বালুতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়েছিলো যারা দীপ্তিময় সংকল্প- স্বার্থের
যে মধুর নেশা ঘোরে মধুকর ঘুরেফেরে রূপ রস ভরা দেহময় শেষ যবে হবে বেলা শুকাবে সে মধুবালা রূপ রস শেষে হবে লয়। কিছু দ্রুত লোপ পায় কিছু রেশ থেকে যায়
দুচোখ আমার ঢুলছে ঘুমে চোখের পাতা নড়ে না এত্ত নাড়াই তবু আমার বন্ধ দুচোখ সরে না । মুখ জুড়ে তাই ঢালছি পানি, সেই পানি যায় কোন খানে আজ বিকেল আর
সকাল থেকেই মনটা ভালো নেই তৃপ্তির । সেই কাক ডাকা ভোর থেকে ঝম ঝম করে বৃষ্টি পরেই চলেছে । থামার কোন লক্ষন নেই। অবিরাম বৃষ্টি তৃপ্তিকে তেতিয়ে তুলল। একবার টিভি