এত হিংসা্ কেন বন্ধু তোমার সর্বক্ষেত্রে সকাল বিকেল কাটাও তুমি কোন সে কাজে? দান্দাবাজি আড্ডাবাজি পুরাই মিছে জান তুমি সফলতা আসে কিসে? দেহটাকে খাটাও তুমি কর্মে কর্মে ভালো কিছু চিন্তা
যেখানে রাত সেখানেই হয় কাত, ফুরিয়ে সকল বাত ঠিকানা ছাড়া এইতো করি বাজি মাত। এই দিনে ভাষার জন্য দিতে হয়েছিল রক্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করি আমরা তাদের ভক্ত, সেই দিন তারা
কল্পনার তুলিতে এঁকেছি তোমায় যতনে রেখেছি আপন হিয়ায় স্নিগ্ধ মধুময় মুসলিন ছায়া তৃপ্তির শিহরণ আপলোক মায়া। ঘরেতে মোর মন বসে না ঘুরিতে চায় ব্যাকুল প্রান উকি ঝুঁকি দিয়ে খোঁজাখুঁজি শত
হারতে রাজি ধরলে বাজি বন্ধু তোমার কাছে এই ভূবনে তুমি ছাড়া কে আর বলো আছে! দিনের পরে দিন আসে যায় রাতের পরে রাত চাই না কিছু এই জীবনে চাই না
স্বপ্ন এসেছিল অনাদি চোখের সামনে আর্ত হৃদয়ে ফুটে উঠেছিল স্বপ্নের শৈলমালা অভিমানী নিয়তি পিছু ছাড়েনি সময়ের সাথে বদলে যায় নিয়ম বদলে যায় হাওয়ায় হাওয়ায় ভেসে আসা পিরামিডের মতো উচ্চতার অনুভূতি।
বসন্তে মোর মন জ্বলে বিরহে, অজস্র বিফল বসন্ত ফেলে এসেছি , নিষ্ফলা বসন্ত আমারও দুয়ারে কেনো আসে বারেবারে, বিরহের আগুনে কাঁদাতে অশান্ত অন্তরে? বহুদিন বহু মাস কতো যে বছর পেরিয়ে
নদীর ন্যায় সংকুচিত হচ্ছে মানুষের মনুষ্যত্ব মিথ্যার দাবানল ছড়িয়ে যাচ্ছে দিকে। প্রগাঢ় মমতা লোপে নিচ্ছে বিষাক্ত সব কীট মুখোশের বিমূর্ততায় নিজেকে ঢেকে। সোডিয়ামের আলোয় কাতরাচ্ছে অবুঝ শিশু একমুঠো দানাপানির নিদারুণ
কোকিলের কুহুতানে মুখরিত বাতাস! বসন্তের স্পর্শে ফুলে ফুলে সেজেছে আজ, আমার ছাদ বাগান! তাই ফুলের সুবাসে মনটা বেশ উতলা। ফাগুনের আনন্দে মনে জেগেছে প্রেম! তাকে কাছে পাওয়ার তৃষ্ণায়, আজ হৃদয়ের
নিঃসন্দেহে প্রেম সুন্দর! তবে সেই প্রেমের মদিরতা নষ্ট করেছে কিছু মাংসাশী মানুষ! যা কলুষিত করছে পবিত্র প্রেম। বিচ্ছেদ হলেই একজন অন্যজনের নামে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে অনারবত! ধীরে ধীরে বিশ্বাস হারাচ্ছে!
সারা জীবন আমি একটা ছায়াময় গাছ, একটা ঢেউ খেলানো নদী, সবুজ শস্য ক্ষেত্র এবং শঙ্খচিল উড়ে যাওয়া নীল আকাশ খুঁজেছিলাম, খুঁজতে খুঁজতে দিগন্ত পার, পথে কত ঝরনা নদী কত উপল