কবির কাছে কবিত্ব বিশাল কিছু নয় তবে কবিত্বকলার দৃষ্টান্ত অবশ্যই ফুটে তার স্বত্তায়। শিক্ষা, জ্ঞান, আর মননশীলতায় এক নব প্রতিচ্ছবি, প্রতিচ্ছায় প্রতিদিন বই, কলম তার সহচারী নিত্য রবি। আকাশ -বাতাস,
শিশির ভেজা ঘাসের মতোই তোমার মনটি নরম! সুরভীতে সাজানো তোমার হৃদয় অঙ্গন হে রমণী তোমার হৃদয়ের বাসিন্দা হতে চাই। সূর্যের আলোয় ঝলমলে স্বর্ণালী রোদ চোখে এসে পড়ল! হঠাৎই তাকাতে দেখি
আকাশে নীল জ্যোৎস্না, মুখর সমুদ্র, ঝাউ বীথি, বালিয়াড়ি, নীল শাড়িতে অপরূপা তুমি, বাতাসে তোমার শাড়ির আঁচল উড়ছিল, বললাম, এমন জ্যোৎসনায় আমি তোমার সঙ্গে হাঁটবো কখনো ভাবি নি, তাই বুঝি, ভালোবাসা
রঙের দুনিয়া যখন যাবে চলিয়া সুযোগ পাবেনা আসল গন্তব্যে একই দিনে দুপুর আর রাতের মধ্যে করতে ব্যবধান এমন। তাই মনা সময় থাকতে বুঝে চলো এই রঙের দুনিয়াই শেষ দুনিয়া নয়।
আবার রক্ত ঝরাও শেয়ালে, শকুনে উল্লাস করুক লাশ এর গন্ধে আবার ফিরে আসুক একাত্তর। আমি একাত্তরের কথা বলছি আমি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলছি আমি বলছি স্বাধীনতার কথা আমি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে
ভালোবাসাটা বড়োই অদ্ভুত তাই না? কখন কাকে কোন বয়সে ভালো লেগে যায় বলা যায় না আর ভালো লাগটা বলে আসে না। যখন একজনের প্রতি ভালোবাসা হয়ে যায় তাকে মন প্রান
তুমি জানতে চাইলে, আমি ভালো বন্ধু হবো কিনা? আমি বললাম, আমরা তো বন্ধু হয়েই আছি! তুমি বললে, কিন্তু আমার খুব ভালো বন্ধু চাই, তবে শর্ত কিন্তু একটাই! কারণে যেন কখনোই
মানুষের জীবনে চলার পথে প্রতিদিন কত স্মৃতি জমা হয়। নৈমিত্তিক ব্যস্ততায় অনেকের পক্ষে সেসব মনে রাখা সম্ভব হয়না। অনেকে আবার বেদনার স্মৃতি গুলো মনে রাখতে চান না। কি হবে খুঁচিয়ে
মায়ের ছেলে মায়ের কোলে হাসছে দেখো দাদা ঐ বছর তিনেক আগে গেলো আমার মা এখন কোই? মায়ের হাতের পাইনা আদর স্নেহ অটুট ভালোবাসা দাদা আমার মা কোথায় থাকে দেখিতে জাগে
প্রেম থেকে ভিসুভিয়াসের গর্জন হয় হিমাদ্রির নিষাদে আগামীর নিশীথ হয় বাজপাখিরাও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়। হৃদয়ের রহস্য ভেঙে পৌরানিক স্থান জেগে ওঠে ট্রয়,অনুভূতির ভাষায় হেলেন জেগে ওঠে দ্রাবিড় মহেঞ্জোদারো উপাখ্যান। বসন্তের শোভাযাত্রায়