রাজিতা বাসরঘরে বসে ওর স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছে৷ কেউ হয়ত হুইলচেয়ারে করে রুমে দিয়ে যাবে সেই আশায় বারবার দরজার দিকে তাকাচ্ছে। দুপুর থেকে কান্না করতে করতে এখন ক্লান্ত হয়ে গেছে।
এক রাতের রেট কত তোর …??কাস্টমারের কাছ থেকে এডভান্স নিস নাকি রাত কাটানোর পর কোনটা? আচমকা এমন কুৎসিত প্রশ্নে মেঘলা অবাক হয়ে আকাশের দিকে তাকাল। মেঘলা এতক্ষন তার নতুন বিএফ
কবি –-মোঃ সেলিম হোসেন এর কবিতা // গ্রীষ্মের প্রখরতায় বোশেখের তাপ দাহে দরদর ঝরে ঘাম, কিষাণেরা মাঠে নেমে ছেড়ে যায় নিজ কাম। কাঠফাটা রোদ্দুরে ছাতি যেনো ফেটে যায়, চাতকিনী তৃষ্ণায়
দরজা খুলে শাওন রুমে ঢুকতেই আমার ভয় লাগতে শুরু হলো। লাগাটাই স্বাভাবিক। কারন কয়েকদিন আগেই আমি আমার বান্ধবীর ফুলসজ্জার গল্প শুনেছিলাম। ওর বিয়ে মাত্র ১০ দিন আগে হয়েছে। ওর বছস
আমার বিয়ে হয়েছে ছয় বছর আগে। বিয়ের আড়াই বছর পর বাচ্চা পেটে আসে। আমার ছেলের জন্মের আটদিন আগেই আমার প্রাক্তন বিদেশ চলে যায়।প্রায় ৪ বছর পর হুট করে আমার প্রাক্তনের
ঘরের দরজার লক না লাগিয়ে সম্পূর্ণ খালি গায়ে ওড়না পেচিয়ে জামা খুলছিলাম। এমন সময় দরজা খুলে সোহান ভাইয়া ঘরে ঢুকে গেল। আমি ড্যাব ড্যাব করে সোহান ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে আছি,
‘কিরে আপা তুই আম্মা আব্বার জন্য কোন উপহার আনিস নি? ঈদের মধ্যেও খালি হাতেই চলে এলি? পায়রার কথায় লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাচ্ছে। বাড়ির সবগুলো মানুষের সামনে পায়রা আমায় এমন
কবি –-সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি এর কবিতা // কিসের গৌরব সামান্য নাপাক পানি হতে আল্লাহ্র কুদরতে , বিধাতার অশেষ দয়ায় আসলাম এ জগতে , মায়ের অন্ধকার জঠরে ছিলাম আমরা সবে
কবি –-সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি এর কবিতা // মে দিবসের শিক্ষা আঠারো শতো ছিয়াশি সালে আমেরিকা শিকাগো শহরে , হে মার্কেটে দাবী চলাকালে সেথা অনেক শ্রমিক মরে । আট ঘণ্টা
কবি –-মাসুদুল ইসলাম এর কবিতা // অপূর্ণে পূর্ণতা ফোঁটাতে চাই গোলাপ বাগান! হয়ে যায় আগাছা ভরা মানব জমিন! আকাশের নীলে ডানা মেলা পাখিরা তাজবিহ জপে! ভালো লাগে! আমি করতে গেলে