শাহি সবুর দুগ্ধ কলায় পুষেছিলাম একটি টিয়ে পাখি, সুযোগ বুঝে সেই আমাকে দিয়ে গেল ফাঁকি। হৃদয় খাঁচায় একদিন আমি ঠাঁই দিয়েছি যাকে, ভাগ্য দোষে আজকে আমি হারিয়েছি তাকে। সকাল সন্ধ্যায়
এবিএম সোহেল রশিদ কলেজ থেকে ফিরছি বাসে, ভিড়ের গন্ধ মেখে তাকাওনি একবারও, দন্ডায়মান ভবঘুরের দিকে ঘর্মাক্ত মুখে আমি রঙধনুময় সংসার দেখি সারথি হতে চাই, দগ্ধ দিনের সমস্ত পারিশ্রমিকে। শুধু একবার
মোর্শেদা জাহান লিপি হে সমাজ তোমারা মানুষকে এতো ছোট করোনা, হে ব্যাক্তি মানুষ তুমিও আমাকে ছোট করোনা, হে উঁচুতলার সমাজ তোমরা শুনতে পাচ্ছো কি? হে মানব জাতি তোমরা আমাকে চোর
আবীর অরণ্য মন চেয়েছে আজ আমি হারিয়ে যাবো তোমার সাথে, অঙ্গীকারের আংটি পরিয়ে দিলাম তোমার হাতে একই সাথে ভেসে যাবো ভালোবাসার সাগরে, গভীর নিশিতে কষ্ট হলে মাথা রেখ চাঁদের কোলে,
অনামিকা অন্তঃসত্ত্বা মুহূর্তগুলো যেন ছটফট করছে একটা কবিতার জন্ম লগ্নের, মনের আনাচে কানাচে শত সহস্র লক্ষ কোটি শব্দের সাম্রাজ্য চলমান ; রাতের স্তব্ধতা কালো মেঘের চাদর সরিয়ে, রচনা করতে চাইছে
আমেনা ফাহিম আমি যখন ভাঙতে চাইলাম” তোমরা আমার মেরুদণ্ডে ঠুকে দিলে অর্ধশত পেরেক” আমি যখন বাকরুদ্ধ হতে চাইলাম” আমার আত্ম-চিৎকারের ধ্বনিতে প্রতিধ্বনিত হলো পৃথিবীর মহাজাগতিক দেয়াল। না, না তাতেও তোমরা
এবিএম সোহেল রশিদ লজ্জাবতীর কোলে পদ্ম মেলেছে পাপড়ি চার পায়ের ঠুকাঠোকিতে ধোঁয়ার কুণ্ডলি জোছনা মাখা চাঁদরে থৈথৈ আগুন অন্যকিছু চাই না, চাই শুধু বৃষ্টির অঞ্জলি। সুবেহ-সাদিকে হেসেছে কৌমার্য ভোর ঘুম
শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম নীলের অস্পষ্টতায় কাটে তিন রাত—! গুটিসুটি মেরে থাকে উদাস মোনাক দিন তিনেকের শিশু —! বাবার পায়চারি— খোলা কম্পিত করিডোরে! কাঁচঘেরা ঘরে কেমন কাটে রোদ্দুর বিনে—! খোলা হাওয়ায়
মোঃ ইলিয়াছ আহমেদ মনের মাধুরী মিশিয়ে আমার ভালোবাসার সাত রঙের আবীরে সোনালী আভায় রাঙিয়ে দিবো তোমাকে। নিঝুম দ্বীপের উদাস দুপুরে কোকিলের সুরের মূর্ছনায় তোমাকে গান শুনাব, শিশির ভেজা স্নিগ্ধ ভোরের
মুক্তা পারভীন কতকাল পরে দেখা হবে তোমাতে আমাতে? কোন কাঁশবন কিংবা খোলা আকাশের নিচে। কাশফুল নয়তো বকুল মালায় তুমি করবে বরণ আমায়। আবার কবে দেখা হবে তোমাতে আমাতে? কপালের টিপ