কবি –হারুনুর রশীদ এর কবিতা // আব্বাজান ছিলাম না এই ধরণীতে মোহ-মায়ার শরণিতে করলে জন্ম দান। আমার আব্বাজান। জাপটে ছিলাম মায়ের কোলে আলতো হাতে নিলে তোলে হয়ে মেহেরবান। আমার আব্বাজান।
কবি –আমিনা খাতুন দিপা এর কবিতা // সম্পর্ক সম্পর্কগুলো যেনো অনেকটাই জোয়ার ভাটার মতো। কখনো প্রজাপতির মতো রং বিলিয়ে জীবনকে করে পূর্ণ। আবার কখনো অমানিশার ঘোর অন্ধকার এসে জীবনকে করে
কবি –দেলোয়ার হোসেন বাবন এর কবিতা // বৃক্ষের চোখ নিজেকে আড়াল করে রাখি কখনো বা চতুষ্পদের মোহাবিষ্ট হয়ে পড়ি। সবেগে অনুসরণ করি জন্মাহত অনুতাপ দূরবর্তী দৃশ্যাবলীর তামাশা দেখি দিনশেষে সূর্য
ভালো তো আছি– পাখিরা যেভাবে মুক্ত আকাশকে ভালোবেসে উড়ে চলে, মাছেরা যেমনি পানিকে আমৃত্যু ভালোবেসে আনন্দে আত্মহারা হয়ে সাঁতরাতে থাকে দিক্বিদিক! ফুলবৃক্ষেরা যেমনিভাবে বুকে কলিকে নিয়ে প্রতীক্ষায় থাকে সৌরভময় বসন্তের!
ঘুষের টাকায় সুদের টাকায় পশু দিলে কোরবানি বিচার দিনে প্রভুর কাছে হবে তোমার মানহানি… মনের পশু কোরবানি দাও আত্মা করো খাঁটি কবুল হবে প্রাণের পশু কোরবানি হবেনা মাটি… হারাম টাকায়
কবি –মোঃ পারভেজ সরকার এর কবিতা // এই মেয়ে নাম কি তোমার–? বলে যাও প্রেম বালা তুমি হেসে যাও.! আমি বিভোর বিস্মিত হই নীল গগনে চোঁখ বুলাই একটু শান্তির আশায়,
ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়বার সময় আমার মা আমাকে সপ্তাহে ১০০ টাকা দিতেন যাতায়াত ভাতা আর ৫০০ টাকা দিতেন মাসে অন্যান্য খরচের জন্য। সব মিলিয়ে ৯০০ টাকা। আমার সারা মাসে যাতায়াতের
গত কাল সন্ধ্যায় ঢাকা বনানীতে ম্যাজিক বাংলা টেলিভিশন অডিটোরিয়ামে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গাঙচিলের কেন্দ্রীয়
আমার যখন ৫ বছর,তখনই আম্মু আব্বু হৃদের সাথে আমার বিয়ে ঠিক করে রাখেন।কথা থাকে আমরা দুজন যখন বড় হবো তখনই আমাদের বিয়ে হবে।হৃদ আম্মুর খালাতো বোনের ছেলে।আম্মুর কোন আপন বোন
কবি –ফাতেমা হক মুক্তামনি এর কবিতা // অস্পষ্ট মুখ ইদানিং ক্রমশ অস্পষ্ট হচ্ছে তোমার স্মৃতি নতুন নতুন স্মৃতির অতলে তলিয়ে যাচ্ছে সব, মানুষের জীবন বড্ড বেদনাদায়ক ___ এখানে কষ্টের স্মৃতি