ইউএসএ বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরাম মিশিগান আমেরিকা কর্তৃপক্ষ আয়োজিত সাহিত্য সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সিলেটের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সংসদ মুসলিম হল দুইদিন ব্যাপী ২৬/২৭ এপ্রিল এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। উক্ত
এলো কুমিল্লার দৌলতপুরে বাবরি দোলানো ঝাক্রাচুলে টগবগে এক যুবক বাসের বাঁশি কাঠের কলম হাতে সবুজ শ্যামল ছায়া ঘেরানো এক গ্রামে নেমন্তনে এসেছিলেন বন্ধু আলী আকবরের সেখানে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিচয়
ফেইসবুক মেসেঞ্জারে হরদম করে চ্যাট অভিনয়ে কারো মনে দিও না জ্বালা, ইউটিউব টিকটক ইন্সটাগ্রাম ডিসকোর্ড স্নাপচ্যাট এ দিও না অকারণে হানা ।
আদিম কালের বুড়ো বটগাছ দেখতে ছাতার মতো, আমার স্পর্শে নবীন প্রবীণ এলো পথিক কতো। আমার কোমল শীতল ছায়ায় আরাম করে বসে, চলার পথেই পথিক গল্পে মনটা ভরায় রসে। প্রখর তাপে
বিদ্রোহী কবি সাম্যের রবি ছিলেন কাজী কবি, জাত পাতের বিভেদ ভুলে মানব প্রেমের ছবি। সবার উপর মানুষ সত্য ধারণ করে বক্ষে, মেথর,মুচি,কামার তাঁতি সমান তাহার চক্ষে। কাজী কবি কষ্টের মাঝে
ধলপহরে মনটা টানে একটু লাগুক ছোঁয়া দুচোখ ভরে নেই দেখে নেই, খাচ্ছি রোদের মোয়া । দেখছি যেনো কাঁচা হলুদ রোদের লুটোপুটি খাচ্ছি সকাল, ফুলের সুবাস, কত না খুনসুটি।। সূর্য
আড়াল আমি হইনি পাখি থাকি পাশাপাশি, কেমনে বুঝাই তোরে আমি কত ভালোবাসি। এই পৃথিবী শূন্য আমার তুই পাখি বিহনে তীর মেরে তুই বুকে আমার লুকাইলি কোন বনে। পাখি-রে তোর সনে
যখন পৃথিবীর সমস্ত কিছু মুখ ফিরিয়ে নেয়, যখন নিজের একান্ত আপন মানুষ গুলোই কুৎসা রটায়। তখন আর কাউকে আর বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় না । এমনকি সে যদি আপনার অর্ধাঙ্গ
আবার কেন দেখা হলো? আমিতো সুখেই ছিলাম, আমি তো ভালো’ই ছিলাম। তোমা বিহনে, নতুন করে অন্যকোনো জনে নীড় বেঁধে নির্জনে।। তুমি অকারণে মনের সুখে, আমায় ফেলে; কোথায় চলে গেলে–? কেউ
রাখাল ছেলে রাখাল ছেলে মাঠে তুমি যাও, আষাঢ় মেঘে ঢাকছে আকাশ সঙ্গে ছাতা নাও। দমকা হাওয়া করবে ধাওয়া কোথায় নেবে ঠাঁই? বৃষ্টিপাতে সঙ্গী হবে মাথার ছাতাটাই। মেঘের ভেলা করছে খেলা