অফিস ছুটির দিনে নানান জায়গা ঘুরে দেখি, নিশুতি রাত জেগে নির্ঘুম চোখে সবি লেখি। লেখার মাঝেই বৈচিত্র্যময় রূপটা তুলে ধরি, আপন ভাবনায় নিজের জ্ঞানে লিখতে চেষ্টা করি। তাইতো আমার ছুটির
পনের ষোলোটা পাত্রী দেখানোর পর ও কোন মেয়েই পছন্দ হয় না রায়হানের, মা বাবার মন রাখতেই মূলতঃ পাত্রী দেখা ….কিনতু এভাবে আর কতদিন নিজেই নিজের প্রতি বিরক্ত সাথে মা বাবা
আজ আকাশের বেজায় মন খারাপ’ আকাশে জমেছে অনেক বেদনার্ত বৈরাগ্য, থেমে থেমে আকাশের চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে দমকা হওয়ায় বৃষ্টির সাজঘরে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছি বৃষ্টির জল নূপুর’ ছিন্নভিন্ন চিন্তাগুলো জোড়া
একটা দানবীয় মহাঝড় দাও প্রভু, যে ঝড়টা আসে নাই এই দেশে কভু! রেমালের চেয়েও ভয়ংকর চারিদিকে গোড়া থেকে সব উপড়ে ফেলুক শেষে। যায় যদি যাক, ছিন্ন হয়েই যাক অনিয়মের সব
বৃষ্টির টুপ টাপ, রিমিঝম শব্দগুলো আমার ভিতরের আমিটাকে, ভরে তোলে ,ব্যকুলতায় কিন্তু আজ আমার ভিতরে স্তব্ধতা। সেই সব ঝড় কবলিত স্হানের মানুষদের প্রতি, হাহাকার করে ওঠে মন ভেসে যায়,হারিয়ে যায়
একই ধারায় ঝরছে বৃষ্টি প্রকৃতিতে প্রাণীকুল পেলো শান্তি মাঝে মাঝে এলোমেলো হাওয়া প্রকৃতির রূপ দেখে লাগেনা ক্লান্তি! মনের জগতে যোগ হলো বেশকিছু দিন পর অগণিত প্লাবন জল ছোঁয়া বাতাসে মনের
বিমল বললো– পাশে থাকা মানুষ গুলোকে নিজের কথা গুছিয়ে বলা যায় না সীতা। ওদের কাছে নিজেকে রাফ খাতা মনে
যদি জানতাম সেদিনের সে-ই দেখাই শেষ দেখা হবে তাহলে তোমার হাতটা আরো কিছুক্ষণ নিজের মুঠোয় রাখতাম। আরো কিছুক্ষণ তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুঁজতাম সেখানে আমার জন্য সামান্য একটুও শ্রদ্ধা, ভালোবাসা
সোনার ছেলে আপন ছেড়ে প্রবাসে দেয় পাড়ি, জীবন মরণ লড়াই করে টাকা পাঠায় বাড়ি। চোখের জলে বুক ভাসিয়ে ছাড়ে জন্ম ভূমি, বিদায় কালে মায়ের কপাল রাখে আদর চুমি। কাজের শেষে
রেমাল একটু একটু করে দোলা দিচ্ছে উড়িয়ে নিয়ে যাবে যেন সব। সোনালু দিয়ে সাজানো চালা ঘরটা নিয়ে গেলে কি সর্বনাশ হবে আমার! ওটার সামনে দাড়িয়ে আমি স্বপ্ন দেখি দুটো দিন