সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ঝরায়ে শ্রমিক রোজগার করে বেঁচে থাকার জন্যে, এভাবে কেটে যায় দিন মাস,বছর কষ্টকে লালন করে ওদের দৈনিক জীবনযাত্রার তেমন উন্নতি হয়না শিশুরা কাজে নামে অভাবে.. আগামী
অনেক ভালো যদি তুমি বলো বাঙালী, তোমায় নিয়ে বাংলার গান গাবো, যদি তুমি বলো ; অনেক ভালো যদি তুমি বলো বাঙালী ।। তুমি জাম লিচু জামরুল আনারস পেয়ারা কাঠাল আমলকী
তুমি অপ্সরা তুমি হরিণীর মত চঞ্চলা তোমায় দেখলে মায়ার বাঁধনে মোথিত হই। অবনীর বুকে যেন একটি গোলাপ ফুল। মোহনীয় সুরভে মন মুগ্ধতায় আকুল । সমস্ত রূপের শ্রেষ্ঠ বাহার নেই কোন
চারদিকে হিমেল কুয়াশার আবরণ, বিজন অন্ধকারে স্থির দাঁড়িয়ে আছে নারকেল গাছের মাথা, বাতাসে হিম পতনের শব্দ, গাছের পাতায় ভেজা শিশির পতনের মৃদুল আওয়াজ, ঘুম আসছে না কিছুতেই, জানালার ওপারে বসে
দূরত্বের অবগুণ্ঠনে লুকিয়েছো তুমি চাপা রোদ্দুর হাহাকার করে তোমায় ঘিরে দেখো,গ্যালাক্সিটা ঠিক নক্ষত্রের ভূমি অথচ তুমি নেই সেই নক্ষত্রের ভিড়ে! কমলা রোদের বারান্দা ছিলো তোমার দখলে আজ সেখানে চড়ে বেড়ায়
কুয়াশা বিক্রি হয় না কুয়াশা ছুঁয়ে দিলে ভালোবাসার ছোঁয়া মেলে। নীলগিরি দেখা হয়নি বান্দরবনের সার্কিট হাউজের বাংলোয় বেহালা আর তানপুরায় আকাশ হেসেছিলো সেই কবে ভোরের কুয়াশা চাদর বিছিয়ে দিয়েছিলো ঘাসে
জীবনের স্বরূপ স্রোতের অভিরূপ, বর্ণিল রঙে কখনো আনন্দধামে মাতে,কখনো বর্ণহীন সাদা কাগজের নৌকায় ভাসে– জীবন আগামী সময়ের অলিখিত বন্ধনে সঙ্গী হয় সঙ্গত বৃত্তে নানাবিদ শোভন-অশোভন নিত্য পরিক্রমার ছাউনিতে- পর্যালোচনায় একটি
আমাকে মিষ্টি কথা বলা শিখিয়েছে যে সে আজ চলে গেছে বহুদূরে! এমনকি তার ছায়া থেকেও সরিয়ে দিয়েছে আমাকে কি আশ্চর্য্য! দূরে থেকেও তিনি আমার মনে রাজ করে। চিরচেনা মামুষটি আমাকে
ইচ্ছে করে তোমায় দেখি আমার দু’চোখ ভরে আদর-মায়ায় জড়িয়ে রাখি অতি যতন করে । ইচ্ছে করে তোমায় নিয়ে দুর পাহাড়ে যাই হারিয়ে সবুজ শ্যামল প্রকৃতির বুকে নিজেদের মোরা দেই এলিয়ে।
১ম পর্ব বিয়ের প্রায় চার বছর পর রত্না মা হতে চলেছে। এই নিয়ে সংসারে খুশির সীমা নাই।রত্নাও মহা খুশি। সবাই খুবই আদর যত্ন করছে।শ্বাশুড়িও ভারি কোন কাজকর্ম করতে দেয় না।