তোমরা যারা সুখে আছ দারুণ মাঘের শীতে, গরিব মানুষ কেমন আছে পারো তো খোঁজ নিতে। তোমরা কত আরাম করো বিলাসবহুল ঘরে, ওরা থাকে আলগা গায়ে খোলা রাস্তার পরে। শাল চাদরে
অনাদিকালের উৎসে উচ্ছ্বসিত উৎসব গ্রন্থির বন্ধন বর্ণ-গন্ধ-রুপে অগম্য অসাধারণ শিমুলের লাল পাপড়ি কেঁপে ওঠে ওষ্ঠের ঘর্ষণে শুক্লা রাতের রজনীগন্ধায় নক্ষত্র খসে পড়ে। আত্মার ভেতর জ্বলন্ত অস্তিত্ব নির্ভিক যোদ্ধাও নির্বোধ প্রেমিক
দুজনে ছুটছি আমরা কুয়াশার ভেতর দিয়ে… আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাস গাঢ় হচ্ছে , আমাদের কাছাকাছিগুলো কিছুটা দূরে সরছে – কাছে আসছে , ক্রমশ ঘন হতে হতে আমাদের ছুটবার পথটিকে – কুয়াশাগুলো অনিশ্চিত
স্বাধীনতা মানে মুক্তভাবে থাকা, স্বাধীনতা মানে যুক্ত করে রাখা, স্বাধীনতা মানে সব অধিকার আদায়, স্বাধীনতা মানে সকল আপদ বিদায়, স্বাধীনতা মানে এক হয়ে পথচলা, স্বাধীনতা মানে মন খুলে কথা বলা,
দগ্ধে অনবরত কষ্টবোধ এগিয়েছে একরাশ স্বন্ধিক্ষণ সমাজবদ্ধ মানুষ আর প্রাণীর পথচলায় অনুপ্রেরণা ভালো মন্দ গতি, জীবনের চারপাশ শুধুই ঘুরপাক এক ঘেয়েমী কৌশলে টপাটপ সকলে দিচ্ছে পাড়ি। সবুজপত্র, লাল বৃত্ত আমাদের
তখন বিকেল। পৃথা ব্যালকনিতে ঝুল বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল। আজকাল ওর হাজবেন্ড পুলকেন্দুর অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হয়। কাজের প্রেসার থাকায় অনেকটা রাত করে বাড়ি ফেরে ও। ওদের বিয়ে হয়েছে বছর
অপরাধীর কাছে আমি অগ্নিকন্যা বরাবর ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড! চিরতরে শেষ করতে মন চায় সকল প্রতারক ভন্ড। যেখানেই অন্যায় অবিচার সেখানেই হাজির অগ্নিকন্যা! সকল অপরাধের শাস্তি দিয়ে, বয়ে আনতে সুখের বন্যা। হ্যাঁ
আমার তপ্ত মরুভূমিতে এখনও তোমার নামেই অজস্র অভিযোগে বিভ্রমের শর-বল্লম- বর্শা ছুঁড়ে মারে আমি প্রচন্ডরকম রক্তাক্ত হই তবু আমার অতীতের সায়াহ্নের আলো ছড়িয়ে পড়ুক তোমার বাড়ির চারপাশে তোমার বিলাস-বৈভবে ছড়িয়ে
হঠাৎ করে তুমি ডুমুরের ফুল হয়ে যাও কোথাও পড়ে না তোমার শরীরের ছায়া। আমি চেয়ে থাকি পথের দিকে সেই সকাল থেকে তুমি আসবে বলে কখনো কখনও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে
ভ্রুর ভাষায় সত্য-মিথ্যার নাচন থাকে চোখের জিহ্বাতে লোভের লুকানো স্বাদ নাকের জিহ্বা ভোগের ঘ্রাণে দশদিক খোঁজে, খোঁজে স্বাদে ভরপুর আন্দোলিত আনন্দের বাজার এক অদৃশ্য পাপে ডুবে গেছে শহর,ডুবছে চারপাশ। হৃদয়ের