আমি প্রেমে পড়তে চাইনি তুমি আমাকে প্রেমে পড়তে বাধ্য করেছিলে,আজ সেই তুমি বহু দূরে হারিয়ে গিয়েছো, তোমার কাছে হয়তো প্রেমটা ছিল হাস্যকর একটি মুখপাত্র আর আমার কাছে প্রেমটা ছিল বিশ্বাসযোগ্য
বিকেল শরতের হয়,গ্রীষ্ম, বর্ষা,শীতের হয় এমন এক বিকেলে দেবদারু গাছটা দাড়িয়ে ছিল দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্তি নিয়ে। দাড়িয়ে ছিল বাতাসের মমত্ব মেশানো আলিঙ্গনের স্পর্শ সুধা টানে। এমন সুখ স্পর্শ সুধা টানে,নেশা
কখনো কখনো,ছোট ছোট অভিমানের সীমানা পেরিয়ে, অপেক্ষার দিপাঞ্জলি খুলে দেই বিস্মিত করুণ চোখে গভীর অনুভবে। ভালোলাগাগুলো এক নিমিষেই হারিয়ে যায়, তা জেনেও,ভালোবাসার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবগুন্ঠিত ছায়া বুকের বাঁ পাঁজরে কড়া
মেঘের ছায়া, আকাশে চাঁদ, সবুজ পাতার গল্প, প্রেমের বন্ধন। ভোরের আলোয়, সূর্যের হাসি, প্রতিটি ক্ষণে, জীবনের কিছু ভালোবাসি। পাখির গানে, হাওয়া বুঝে, সময়ের গতি নিয়ে, চলতে চলতে। পথে মিছে, পথিকের
বছর ঘুরে প্রতিবারে বই মেলাটা আসে, নবীন কবির মনের গাঙে স্বপ্নগুলো ভাসে। মন বিলাসে নবীন কবি ছাপতে দিলো বই, মনে মনে খেতে থাকে মিষ্টি কলা দই। কবির ঘরে সারাবছর অভাব
দৃষ্টিসীমাতে আনাগোনা তাঁর নিশিতে মুগ্ধ করে, শাণিত পরানে ভালোবাসা আনে জলের মতোন করে। তাঁর চপলতা হৃদয়ে জাগায় তীক্ষ্ণ তীব্র তাড়ন, বশীকরণের কল্পিত জাদু মানে নাতো কোন বারণ। ‘ভালোবাসি’ বলে আহ্বাদি
বিলাসী জীবন যাপন করতে কার না ভালো লাগে। এই যেমন ঘুমের সকালে কেউ ঢেকে বলল এই উঠো চা নাস্তা রেডি। কিন্তু ঘুম ভেঙে উঠে খাওয়ার ইচ্ছেটুকুও করে না তখন। আর
নাই বা শোনলে আর কষ্টের কথা নতুন করে, স্মৃতিটুকু থাক স্মৃতি দিয়ে ঘেরা মম অন্তরে। যে গেছে পুত ভালোবাসার মম পিঞ্জর ছিড়ে, নাই বা ডাকলে গো আর তারে ব্যথার নীড়ে।
নারী তুমি জ্বলতে পারো প্রখর অগ্নিতাপে সইতে পারো নীরবে সমস্ত ব্যাথা। নারী তুমি আকাশ সমান পীড়া বুকে নিয়ে হাসিমুখে কইতে পারো কতো কথা। নারী তুমি ছাড়তে পারো বাপের ভিটেমাটি সাজাতে
ফিলিস্তিনের সাথে আজ চলছে অবিচার, তাদের কষ্টে সবার মন হচ্ছে যে ছারখার! জেগে ওঠো হে বিশ্ববাসী, জেগে ওঠো মুসলমান, প্রতিরোধ গড়ি সবাই, করি অবিচার