নামটি তার লুৎফর রহমান লাতু সরকার পাঁচ পুংগলী বাড়ি, রিয়াজ উদ্দীন সরকারের দ্বিতীয় সন্তান বুদ্ধিমত্তা উনি। বিবেক আর আত্ম সংযমে গুণান্বিত তিনি, সুনাগরিক সমাজ সেবক, সহজ সরল প্রতি। উচ্চ বংশের
শীতের সকাল একটু অন্যরকম পুবের জানালা ভেদ করে সূর্যের আলোর ছোঁয়ায় ভোরবেলা ঘুম ভাঙত। সকাল হলেই মা ডাকতো আরবি পড়তে যাওয়ার জন্য তখন ভয়ে,শীতে কুকড়ে চাদর গায়ে ছুটতাম মক্তবে। গাছের
বৃদ্ধ লোকটি ভিক্ষা করিতো কানাডায় কাবু করে নাই তাঁকে হিম হিম ঠাণ্ডায় গরম পোশাক ছিল না বৃদ্ধের গায়ে ,, হাঁটিতো দ্বারে দ্বারে তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে । একদা এক ধনাঢ্য ব্যক্তির
গান গাইতে এলেই দেখা মেলে স্টেজে টাকা ছুড়ে শিল্পীর শরীরে, এ কেমন নিয়ম-নীতি ধিক্কার ধিক্কার উফ বড্ড জ্বালাময় সজ্ঞানে প্রতিবাদ করছি। আমি মাগুরার মেয়ে “বৃষ্টি খাতুন মিনা” বাংলাদেশ থেকে,তীব্র প্রতি
বাঘের দল মিটিং ডেকেছে থাকবেনা ঘরে বসে মিথ্যে অপবাদ বাঘিনীরা দেয় মান-সম্মান খসে। সেদিন হঠাৎ মাইকে দেয় মানব নেতা ভাষণ কর্মীরা নাকি বাঘের বাচ্চা করছে নেতা তোষণ। এসব শুনে বাঘিনীর
সেই স্মৃতি এই অলস ক্ষণে খুব মনে পড়ে তোমার জন্য সারাক্ষণ অপেক্ষায় থাকা, কখন কলেজ থেকে ফিরবে বাড়ি, বারবার তোমার জানালায় গিয়ে উঁকি একটি চিঠির আশায় বারবার ডিস্টার্ব, চোখের আড়াল
এখানে অরণ্য আছে আছে পেচানো লতার আলিঙ্গনের প্রেম আছে শর্প সঙ্গম রতি বাসনার উদগ্র কামনা আছে পাতার বোটার মত দীর্ঘ চুম্বন বাসনা আছে গাছের প্রেমে লুকানো শেকড়ের মায়া আছে কত
তবে কি কাউকে বিশ্বাস করবোনা? কিন্তু আমি তো সবাইকে বিশ্বাস করতে চাই। রাজনীতিবিদ আমলা বিচারক যতো পেশা আছে আমি সবাইকে বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু ধাক্কার পর ধাক্কা আমার বিশ্বাসকে আহত
গল্প নদী যখন কাঁদে সুনির্মল বসু মানুষের জীবনে চলার পথে প্রতিদিন কত স্মৃতি জমা হয়। নৈমিত্তিক ব্যস্ততায় অনেকের পক্ষে সেসব মনে রাখা সম্ভব হয়না। অনেকে আবার বেদনার স্মৃতি গুলো মনে
নিজের ভুলে হইলে দোষী মিলবে নারে কিছু , ঘরের কোণে থাকবে বসি হইবে মাথা নীচু । ভবের বুকে সফল হবে ভুলকে ঝেড়ে ফেলে , তখন খুশী হইবে সবে মনের ডানা