লোভ মানুষকে পশু বানায় চিরায়ত ধর্মের কথা জানার পরও লোভ করে মনে লাগে ব্যথা। লোভে পড়ে অনেক রাজা রাজ্য হারিয়ে ফকির কেউবা আবার আল্লার রাস্তায় নেমে করে জিকির। কেউবা করে
রেখেছিলাম মনে হঠাৎ হারিয়ে গেলো কোন বনে, জঙ্গলে জঙ্গলে খুঁজি আনমনে ভয় করে না আর প্রাণে। হারিয়ে ফেলেছি দেহের চালিকাশক্তি নেই কোন ভালোমন্দের পার্থক্য করার অনুভূতি, সে এখন জীবনের শুধুই
গগন জুড়ে মেঘের খেলা হাওয়ার তালে ভাসে, অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামে আষাঢ় শ্রাবণ মাসে। দিবা নিশি ভারী বর্ষণ খালবিল থৈ থৈ, চারদিকেতে বানের পানি পড়েছে হৈ চৈ। বসত ভিটা কৃষি
হঠাৎ করে জীবন হলো এলোমেলো শান্তির ঠিকানা কোথায় হারালো, সুখের ঘুম বিদায় নিলো জীবনের সঙ্গী বিছানা টিও ভয় পেলো। আদর করে নাম রেখেছিলাম ময়না ভেংচি কেটে সে-ও এখন কথা কয়
তোমার পরনে নীল শার্ট আর নীল প্যান্ট, সাগরের নীল জলের সাথে মিলেমিশে একাকার। প্রভাত বেলায় উদিত এক সৌর্যদীপ্ত সেই তুমি ডুবন্ত বেলায় এক ক্ষ্যাপাটে তাপদাহ নিয়ে সাগরের বুকে মুখ লুকাও
আজ কবি সংসদ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ও কবি ও ছড়াকার, প্রকাশক তৌহিদুল ইসলাম কনক ভাই এর জন্মদিন। তিনি ১৯৭১ সালের ২৬ জুলাই পিরোজপুর জেলার খানা কুনিয়ারিগ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
ফেরাবো না সেই তোমায় ভালোবাসি যাকে মুক্ত তোমায় করে দিলাম সকল বন্ধন থেকে। হয়না কেউ মনের মতো সবই ক্ষণিকের নিজের ভালো সবাই বোঝে স্বার্থ পরিচয়ের। চলার পথে সাথী নয় সবাই
নিজের মতো করে কেউ ভালোবাসে না এটা মেনে নিয়েই ভালোবাসতে হবে নয়তো ভালোবাসাহীন পৃথিবীর ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে। হয়তোবা আমিও তার মতো করে ভালোবাসিনি ভালোবাসতে পারিনি,হয়তোবা বুঝতেই পারিনি?
জীবনের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে গেলে তুমি সামান্য ভুলে, নরকের রসাতলে। পাবে কি ফিরে তোমার নিস্পাপ মনটাকে? যে মন বাজী ধরতো সমগ্র পৃথিবী কে। জীবনকে বিলিয়ে দিয়ে কি পেলে? মিলেছে
মা মা যে আমার মাথার মুকুট, মা যে চোখের মণি৷ মা যে আমার সাত রাজার ধন, মা যে সোনার খনি৷ মা যে আমার আঁধার রাতে পূর্ণ চাঁদের আলো৷ মা যে