কোনো নারী যখন খবরে শিরোনাম হয়, চমকে উঠি, নিশ্চয় ধর্ষণের শিকার হয়েছে, অথবা নিগৃহীত হয়েছে সামাজিক বিচারে, এমনটাই তো প্রত্যহ ঘটছে আমাদের চারপাশে। মাতৃত্ব বিবেচনায় বিবেক তখন খড়্গ তোলে তথাকথিত
ওরে “মন” বাঁচতে যদি চাস- স্বপ্ন দেখা থামিয়ে দে তুই করিস না আর আশ, জীবন যাবে ধড়ফড়িয়ে করবি যে হাঁসফাঁস। “ভালোবাসা”- সে’তো অভিশপ্ত যাস না ছুঁতে কখনো, যা বলছি- মনে
নীতি বাক্য বলেন সদায় শুনি বড় নেতা নিজের নীতি নির্বাসনে দিয়ে কথা বলে চেতা। দশের মাঝে বলে কথা নেতা সার্থ হীন গোপনে তিনি পকেট ভারী করে প্রতি দিন। অর্থ জরিমানা
তুমি গ্রীষ্ম তুমি বর্ষা তুমি হেমন্ত তুমি শীত, নানান রূপে কতো ভাবে গেয়ে যাও ঝংকারি গীত। তুমি শরৎ তুমি বসন্ত রূপের নাই অনন্ত, সময়ে সময়ে ছড়িয়ে দাও তোমার সুরের ছন্দ।
তুমি এসে কষ্টের আকাশটাকে ভালোবাসার আচঁলে জড়ালে। রোমান্স শিশিরে নেভালে মনের অবক্ত দহন জ্বালা! বুকের গহীন অন্ধকারে উড়িয়ে দিলে ৷ ভালোসার প্রজাপতি। কষ্টগুলো পাপড়ি মেলে সুবাসে জড়ায় ভালো লাগার অনুরণে,
জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় শুরু ; পঁচিশ থেকে তিরিশ বছরের মাঝে ! কেউ পড়াশোনায় ফোকাস করে, কেউ জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার ; জন্য লড়াই করতে-ই থাকে ! কেউ পড়াশোনা শেষ করে
মরণকে আলিঙ্গন করতে শেখো আঁখির সম্মুখে বহুবিধ ছবি ভেসে আসে কোনটা কী বিবেক জাগ্রত করবে। মরণকে আলিঙ্গন করেছো এবার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পালা। শাঁখা পরিহিতা এক লাবণ্যময়ী সুন্দরী রমনি পাহাড়ি
সব ফুলে মালা হয়না অকালে কিছু ঝরে কিছু থাকে রাস্তা ঘাটে কিছু যায় ঘরে। কিছু মালা নব-বধূর শোভা বৃদ্ধি করে ফুল সজ্জার রাতে বধূর পাহারা দেয় ঘরে। আদর করে প্রেমিকার
রৌদ্র-খরায় হাপিত্যেশ একপশলা বৃষ্টির জন্য অথচ বৃষ্টির দেখা নেই,শীতল হইনা মৌসুমি বায়ে মেঘেদের ডাক শুনি ধলেশ্বরী গাভীর মতোন তবে ভিজবো কবে বৃষ্টিমুখর দুপুরে আদুল গায়ে ! শ্রাবণ তো যাই যাই
যখন সময় থমকে দাঁড়ায় কোনো এক সীমানায় তখন কিন্তু প্রশস্ত করে দু’হাত বাড়ায় হতাশা নামক শব্দটা। যেদিকে তাকাবে যখন সবই হবে ধুঁ ধুঁ মরীচিকাময় কেবলই দেখাবে স্বপ্ন এই বুঝি আসলো