“বৃষ্টি মিনা” কেউ কি আছে করিবে আমায় পরিপূর্ণ বিশ্বাস? যদি কেউ থাকে তার জন্য বাজি আমার নিঃশ্বাস, কাউকে বিশ্বাসের আগেই অবিশ্বাসের ভয় কেউ কি আছেন আমাকে করবে জয়? সবাই মনে
ইমরোজ সোহেল (হাসপাতালের বেদনার্ত বেডে নিদ্রাহীন কিংবদন্তি আবৃত্তিশিল্পী পরম প্রিয় জাহান বশীরকে তাঁর জন্মদিনে উৎসর্গীকৃত।) সুখের চাকা উলটো পথে রথের মতো চলার নামই অসুখ। বেদনার নীল গহ্বরে ডোবার নামই অসুখ
মুক্তা পারভীন পুরুষ তোমায় ভীষণ ভালোবাসি অনুরাগে যার হাতটি ধরে সংসার জীবনে আসি। পুরুষ তোমায় করি অকুন্ঠ সম্মান সুন্দর পৃথিবীর আলো বাতাস পেতে যিনি দিয়েছো জন্মদান। পুরুষ তোমায় রেখেছি স্নেহ
প্রতাপ মণ্ডল তুই এলি শিশির পাড়িয়ে অঘ্রাণে, যখন হেমন্তের শেষবেলা আকাশটা কুয়াশায় মাখামাখি, কখনো মেঘ-রোদ্দুর খেলা, পৌষের বেলা শুরু হতে বেশী নেই দেরী মেঘেদের জটলা, বৃষ্টি আসুক এলোপাথারি তুই আমি
ইমরোজ সোহেল পুড়ছে মানুষ, উড়ছে ফানুস আকাশ ভরে খাচ্ছে খাবি হাবিজাবি শখের পুতুল অন্ধকারে নেশার ঘোরে। কেউ নিবি না পাপের ভার? আমিই তবে নিধির রাম, ভুল সর্দার? সব কিছুতেই আমার
র শি দ হা রু ন দুধকলা দিয়ে নিজেকেই পুষি আমি আমার শরীরের ভিতরে। তবুও প্রায়ই আমার ফেরা হয়না বহু দিন, বহু বছর, বহু কাল আমারই শরীরে। আমি বুঝিনা কেনো
গুলশান আরা রুবী ঐ ঘন কালো রাতে নীরব কল তানে , মেঘেরা করছে খেলা বহিছে বাতাস নিবিড় আবরণে । চারিপাশে শুন শুন শব্দ কালো রাতে বিজলীর মেঘের ডাক , ছন
মেরী খুব সহসাই চলে যাব, চলে যাব না ফেরার দেশে। সাথে নিয়ে যাব এক তুমিহীনতার অসুখ। একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু, একটি কুসুমের ভ্রুণ বিকশিত হয়নি যা পাপড়িদলে, ঝরে গেছে অলক্ষ্যে আঁধারে।
নাজমুল ইসলাম রাজু ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল তীব্র শীতের রাতে পথিক ছিলেন- দূরের পথের কেউ ছিলোনা সাথে । ক্লান্ত হয়ে শরীর- গেলেন মসজিদের ও মাঝে কাটিয়ে যাবেন রাতটি আজি ভাবনা-
সানজিদা শাহনাজ শিখা তুমি আছ বলেই আজও ভোর হয়, সূর্য লাল আভা ছড়িয়ে। তুমি আছ বলেই পাখিরা গান গায়, নদী বয়ে যায়। তুমি আছ বলেই ফুলেরা হাসে তুমি আছ বলেই