আকাশেতে গুরুম গুরুম আজকে ডাকে দেয়া, বৃষ্টি আসবে ভিজবে পদ্ম,কলাবতী,কেয়া। বৃষ্টি জলে ভিজে যাবে বাবুই পাখির ডানা, আনন্দেতে ভিজে স্নান পাতিহাঁসের ছানা। নাচবে ময়ূর পেখম মেলে বৃষ্টি জলে ভিজে, মায়াবী
একদিন বড় হবো অনেক বড় স্বপ্ন ছিল না স্বপ্নের সাথে বাস্তবিকতা মেলাতে পারিনি তাই এখন আর স্বপ্ন দেখি না। ছোট্ট জীবনে অনেক কিছু দেখেছি পেয়েছি পেয়ে হারিয়েছি আবার পেয়েছি। কখনো
বিস্মিত হতবাক অনু কম্পিত চোখের চাহনিতে বিক্ষিপ্ত ভাবনার প্রতিবিম্ব ফুটে ওঠেছে। হতাশা আর উৎকণ্ঠিত মনের এক অভূতপূর্ব অনুভূতি যেন অশ্রু হয়ে ঝরছে অহর্নিশ। হৃদয় দলিত-মথিত আজ, অমাবস্যার ঘোর অমানিশায় যেন
জীবনটা তো টলমলে, কচুঁ পাতার পানি। একটুখানি টোকা দিলে, গড়িয়ে পড়ে জানি।। তাই তো কবির কথা মত, করো-না হাহাকার।। ধন-দৌলত টাকা কড়ি, তোর সকলি বেকার।। সে আর করবে না কোন,
ধর্ম যার যার উৎসব সবার নাস্তিকতার পূর্ববাস এমন যুক্তি যারাদেয় তাদের দেওয়া উচিৎ বাঁশ। পুজা পর্ব ভিন্ন ধর্মের উৎসব মুসল মানের নয় ত্যাগের ঈদে ভিন্ন ধর্মিরা কি গরু কোরবানি দেয়?
মধুর কন্ঠে তেলাওয়াতে শীতল করলো প্রাণ, বিশ্বের মাঝে হাফেজ তাকরীম রাখলো দেশের মান। তিরিশ পারা কুরআন বাণী মনের মাঝে রয়, শত দেশকে হারিয়ে সে আনলো ফিরে জয়। কুরআন হাফেজ প্রতি
চেনা পথ ধরে হেটে যাই আজও শুধু নিজেকে একটু আড়াল করে কারণ- যদি একেবারেই নিঃশেষ হয়ে যাই। নিজেকে ভুলে গেছি, সব পিছুটান ভুলে যাওয়ার জন্য চলছি শহুরে জীবনের, মিথ্যে ছন্দ
রাত্রিবেলায় বেজায় চেঁচায়– ঘেউ,ঘেউ,ঘেউ ভয় যে ভীষণ কুকুরটাকে,যায়না কাছে কেউ। লাভ হয়েছে হাজিবাড়ির,হয় নাকো আর চুরি ফেল মেরেছে চোর-বাবাজির সকল কারিকুরি। চোরের-ধামা শেয়াল-মামা দাঁত কেলিয়ে হাসে ইক্ষুরস ও মুলার রেচন
অমাবস্যার পূর্ণ তিথিতে, বিমল অনুভূতির চাপা দীর্ঘশ্বাস জড়ানো অজস্র ব্যথার হাহাকারে আহত এ প্রাণ। তবু রাতের মাধবীলতা দুলছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফোঁটায়, সানাইয়ের সুর ভেসে আসে বাতাসের কানে, রাতের পাখিরা প্রফুল্ল
০১/ আমি শিক্ষক হবো –মোঃমেহেদী হাসান আমি শিক্ষিত হয়েছি আমি একজন, আদার্শ বান শিক্ষক হবো বলে। কতো ইস্কুল কলেজ মাদ্রাসা আমি চাকরি, করার জন্য দিয়েছিলাম সিভি কতো দরখাস্ত। আমি চাকরি