তুমি আমাকে ভুলে যাবে, আমি ভাবতেই পারিনি আমাকে মন থেকে মুছে ফেলে তুমি আছো এই সংসারে, হাঁটছো বারান্দায়, মুখ দেখছো আয়নায়, আঙুলে চুল জড়িয়ে দিব্যি বেড়াচ্ছো ঘুরে, একটা বুনো বেপরোয়া
কন্যা দিবসে একটাই প্রার্থনা, পৃথিবীর সকল কন্যারা নিরাপদ থাকুক। সভ্যজগৎ এর শুরু যাবতীয় অসভ্যতার বিনাশ এমনটাই তো ইতিহাসখ্যাত। কালের যাত্রাপথ পেরিয়ে নব নবীন এর উল্লাসে আজ নন্দিত জাগতিক বিশ্ব পরিক্রমকাল
পুলকিত শিহরীত স্পন্দিত নিগুঢ় মায়ায়, কোমল হৃদয়ে বিষন্ন আবছায়ায়, এক আকাশ মায়াবী আকর্ষণে ; নিমীলিত দু’নয়ন পাতে গোলাপের সৌরভ ম্রিয়মাণ। অনুভবের অপাংক্তেয় পাতায় উড়ন্ত প্রজাপ্রতির মেলবন্ধন। বিমূর্ত রাত্রির মৌনতার চাদরে,
· স্মৃতি মানে ইতিহাস যাহা ঘটে গেছে ইতিপূর্বে স্বপ্ন দেখে তাই মানুষ আজ কিছুক্ষণ পর বা আগামীতে কি করবে ? স্বপ্নটাও আসে কিন্তু স্মৃতি বা ইতিহাস হতে। যদি স্মৃতি বা
চলার পথে বাঁধা তো আসবে তা-ই বলে চুপ করে বসে থাকলে চলবে? জীবনে উত্থান পতন তো থাকবে মুখ বন্ধ রেখে সম্মুখে এগিয়ে যেতে হবে। কত ঘাত-প্রতিঘাত দেবে দেখা দুঃখ দূর্দশা
অতি যত্নে কষ্ট সহ্য করে বাসা বাঁধলাম বরই গাছের ডালে, সঙ্গীর সাথে কাটাবো রাত মন ভরে গ্রীষ্ম গেল বর্ষা গেলা নষ্ট করলো শরতের জলে। আশা ছিল বাচ্চা হবে দু’টো বাতাস
আকাশ পথে কক্সবাজার দোস্ত গেল উড়ে নেমে দোস্ত মন্তব্য করে কক্সবাজার নয় দূরে। ভাত খেলে পেট ভরে ভ্রমণে ভরে মন পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ সারাক্ষণ। সৈকতে সাঁতার কাটা কত যে মজা
যদি সুন্দর একটি মন পাইতাম মনের জমানো যন্ত্রণা গুলো ভাগ করে নিতাম, আছো কি কেউ সাড়া দাও ধুমধাম জীবনের পড়ে রয়েছে অনেক কাম। সময় গুলো কাটিয়ে দিলাম অপকর্মে এখন অনুধাবন
পাহাড় পর্বত সাগর নদী ঐ যে মরু ভূমি সৃষ্ট করেছ ওগো মাওলা সব কিছু তুমি। ভূ-গর্ভে সোনা হিরা মনি মুক্তা আরো তেলের খনি মানুষের কল্যাণে তোমার দান তুমি অন্তর জামি।
শরৎ সকাল ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দু জল, রোদের আলোয় হিরকের ন্যায় করে যে জ্বলজ্বল। পদ্ম ফোটে দীঘির জলে জাগায় শিহরণ, শেফালিরও মৌ মৌ গন্ধ কেড়ে নেয় যে মন। নীল আকাশে