কিছু হয় বা না হয় মাঝে মধ্যেই কিছু লিখি অবচেতন মনে সে সব লিখা কেউ একজন গুছিয়ে রাখে, অনেক কিছুই লিখে ফেলি! কিন্তু একটি কথা খুব সযতনে এড়িয়ে যাই, কি
১৯৫২ হতে ১৯৭১ স্বীয় সত্ত্বার পরিচয় তোমার আমার, ভুলে যাও কেন রক্তে কেনা অশ্রু ভেজা অতীত সবার। ইতিহাসের পাঠ না করেই খুঁজো তুমি কার কী ইতিহাস, ধ্বজা বহন করতে জানতে
হঠাৎ একটা মজার গল্প পড়ল আমার মনে , লিখছি তাই লেখার নেশায় পড়ুক আপনজনে । কিশোর বেলায় ব্যান্ড পার্টির দলে ছিলাম আমি , এ গল্প ভীষণ সত্যি জানে অন্তর্যামী ।
ওগো মোর কল্পনার সারথি, কি কর তুমি? তুমি কি নিশি জাগা কৃষ্ণকলি? রাত গভীরে জেগে থাকা চাঁদ, পাবার আশে হলে নিশি পরী। জ্যোছনার সাথে করো মিতালী। জানো সখী? আমি’ই সেই
এখন আর তোমার কালো শাড়ির আঁচলে আবেগের অনুভূতি নেই, পথচলার বাঁকে বাঁকে যন্ত্রণাদের আনাগোনা…. জানিনা কবে শেষবার সবভুলে তোমার হাত ধরে রেললাইনে হেঁটে ছিলাম নাকি আজ? তুমি কি সুন্দর পিচঢালা
–আগুন– তাসলিমা আক্তার মনের আগুন কেউ দেখেনা বনের আগুন সবাই দেখে বেইলীরোডের আগুন লাগে কাচ্ছি ভাইয়ের খাবার ঘরে। খাবার খেতে গেলো যারা আর ফিরলনা বাড়ি তারা কেউ ঝলসে কয়লা হলো
মনের আগুন কেউ দেখেনা বনের আগুন সবাই দেখে বেইলীরোডের আগুন লাগে কাচ্ছি ভাইয়ের খাবার ঘরে। খাবার খেতে গেলো যারা আর ফিরলনা বাড়ি তারা কেউ ঝলসে কয়লা হলো কেউ বা আবার
তোমার জন্যে আমার এ হৃদয়ে কতটা রক্ত ক্ষরণ হয়েছে তা একটিবার ভেবেছো, তুমি তাকে আরও দু’পায়ে দলে যেতে চেয়েছো। কন্টকময় এতটা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে যে ভালোবাসাকে দেখতে এলাম আমি,
প্রিয় ফুল গন্ধরাজ তোমার সুবাস নিতে বাগানে যায় রোজ রোজ তুমি আমার প্রাণের মন মাতানো সুগন্ধের প্রিয় ফুল গন্ধরাজ। তোমার প্রেমে আমি অন্ধ তাই চোখ করে বন্ধ নাক দিয়ে নেই
ভোরের হাওয়া সুর তুলেছে রোদ দিয়েছে উঁকি চিক চিক চিক গান ধরেছে চপল টুনির খুকি জানলা গলে নামলো এসে সূর্যমূখী রোদ বসন্তেরই হাওয়ার সাথে রোদের কী আমোদ ! মিষ্টি মধুর