তুমি বলেছ, রাহমানুর রহিম তুমি, তুমি বলেছ, গাফুরুর রহিম তুমি। কেন কান্না, বলবে কি? জানতে পারি কি, অজ্ঞাত হয় যদি সবই, দোষ কি ভুল কি? মানুষে এত কষ্ট কেন, মানুষে
আমার বুকে আগুন জ্বালালে, চোখের পাতায় অশ্রু ঝরালে। ক্ষমা চেয়েও হলো না পাওয়া তোমাতে আমাতে স্বর্গীয় চাওয়া। আমি ভেবেছি যন্ত্রণা সয়েছি না মিটিতে আশা ভেঙেছে খেলা মৃদঙ্গ বাজে সন্ধ্যাবেলা। বহুদিন
নারী মায়ের প্রতিচ্ছবি রৌদ্রেরঝাঁজে এক আকাশ ছায়া সহিষ্ণুতার সবটুকু ওম আঁচলে একসমুদ্র মায়া। . নারী ছুটে চলা এক নদী ক্লান্তি শেষে প্রশান্তির আশ্রয় নারী সুরভিত একটি ফুল যার বুকে জমা
মনের সবুজ অরন্য পুড়ে গেছে বহুবছর আগে,, অরণ্য পোড়ার গন্ধ ছেয়ে যায়নি কোথাও, পুড়ে যাওয়া ছাই মাড়িয়ে আবারও,,,,,,, সবুজ ঘাসের জন্ম নেয়া। সীমাহীন যন্ত্রনাভোগ শেষে একদিন নিজ অস্তিত্বের ভেতর ভালোবাসা
একসঙ্গে অনেকগুলো পাঞ্জাবী কিনে রেখেছি, আর ধবধবে সাদা গোলাকার ফ্রেমের একটা চশমা। তোমার সাথে দেখা হবে এই ভাবনায়, মাঝেমধ্যে আয়নায় চেয়ে থাকি অনেকক্ষণ, কল্পনায় তোমার চোখে আমাকে দেখি। ভাঁজ পড়ে
প্রিয়দর্শিনী আমার, তুমি মোর চিরকালের সাথী, তোমায় নিয়ে মনের মাঝে, বাঁধি স্বপ্নের ঘাটি। দিনের শুরু তোমার মুখের হাসিতে, রাতের শেষ তোমার কথায় ভাসিতে। প্রথম দেখা সেই দিনের কথা, মনে পড়ে
আজ থেকে পঁচিশ বছর পরে মনে করো আমি নেই! এমনই কোনো একুশের বইমেলায় একটা ফুটফুটে জ্যোৎস্নার আলোজ্বলা সন্ধ্যাবেলায় সেদিনের কোনো এক বাসন্তী রঙের শাড়ি পরা, মাথায় ফুলের মুকুটে শোভিত বাবার
আগুনের মতো জ্বলে ওঠুক কবিদের কণ্ঠস্বর.. সাইক্লোন এর বেগে ঝলসে ওঠুক কবিতার শব্দ; অলস মস্তিষ্কে উৎপাদিত হোক সমাজ উন্নয়নের কথা…. উন্মাদ বিশ্বের কানায় কানায় জ্বলে উঠুক প্রতিবাদের ঝড়, হৃদয়ের গহ্বরে
তোমাকেই ভাবছিলাম ভাবতে ভাবতে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত তারপর রাত পেড়িয়ে ভোর… আমার সবটুকু সময় কেড়ে নিয়ে কি সুখ তুমি পাও? তোমার রাগ, অভিমান বা অহংকার কিছুই আমি ঠিক বুঝতে
গন্ধম খেয়ে যেদিন নির্বাসিত হলেন আদম তখনো সভ্যতার আলো জ্বলেনি পৃথিবীতে। মানুষ তখনো শেখেনি সামাজিকতা। প্রথমেই প্রয়োজন হলো লজ্জা নিবারণের- ছাল বাকল জড়িয়ে হলো তার সমাধান চকমকি পাথর দুর করল