তুমি প্রতিদিনই আমার সামনে দিয়ে হেঁটে হেঁটে যাও,আর মিটিমিটি হেসে, লুকিয়ে লুকিয়ে তাকাও আমার দিকে।আসলে তোমার ভালোবাসা আমি বুঝতে পারিনি। তোমার চোখ বলে—তুমি আমাকে ভীষণ ভালোবাসো।কিন্তু তোমার আচরণেআমি বারবার হতাশ
বৃষ্টি ভেজা এই গোধুলী বেলায়– মৃদুমন্দ বাতাসে, একবার বলে দেখোইনা ভালোবাসি। একবার ছুঁয়ে দিয়ে যাওনা প্রজাপতির রঙে ভীষণ প্রেমের মাতামাতি । একবার না হয় একগুচ্ছ কবিতার পাতায় সাজাও মুখোমুখি বসে
বিশেষ প্রতিনিধি, মান্নান প্রেস টিভি | প্রকাশ: ২৬ জুলাই, ২০২৬ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ২০২৬’। গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) দিনব্যাপী বাংলা একাডেমির কবি
মিশেছে গঙ্গায় যমুনার জল মিশি নাই তুমি-আমি এই ভূমিতে সততার সাথে মিশেছে বিপুল ভাণ্ডামি। ইতিহাস যাঁরা গড়েছে এখানে ইতিহাসে তাঁরা নাই উড়ে এসে, রাস্তার কাগজ রাজ গ্রন্থাগারে নিল ঠাঁই। রেসকোর্স
যেভাবেই ডাকি যে নামেই ডাকি, তুমি তো শূন্যতা! স্মৃতির জোনাকিরা নিভে যেতে না যেতেই মেঘলা হয়ে আসে মনের আকাশ একলা বারান্দায় আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলা শেষ হতে চায় না যেনো, অথচ
আমি যখন বাড়িতে পৌঁছলুম তখন দুপুর, আমার চতুর্দিকে চিকচিক করছে রোদ, শোঁ শোঁ করছে হাওয়া। আমার শরীরের ছায়া ঘুরতে ঘুরতে ছায়াহীন একটি রেখায় এসে দাঁড়িয়েছে৷ কেউ চিনতে পারেনি আমাকে, ট্রেনে
এই শহরটা এখন আর আগের মতো নেই, তোমার অনুপস্থিতিতে, সেও যেন নিঃস্ব হয়ে গেছে। যে বেঞ্চটায় একদিন বিকেল থেমে থাকত, সেখানে এখন নীরবতা বাস করে। হর্ন বাজে, দোকান খোলে, মানুষের
আমি ফিরে যাই বারবার—ঐ পাহাড়টির টানে।একাকিত্ব যখনআমার কাঁধে অবতরণ করে,মানুষের কোলাহলওতখন অনাথ লাগে। পাহাড় দাঁড়িয়ে থাকে—সহস্রাব্দের ধৈর্য ধারণ করে,ঠিক আমার নীরব ক্লান্তিরসমান উচ্চতায়। মানুষের কাছে প্রতিটি বেদনারজবানবন্দি দিতে হয়।তাই ইদানীং
অন্তরাত্মায় প্রেমের রাজত্ব, প্রতিদিন নয়া প্রেম হাবুডুবু খায়। ভোরে প্রাতভ্রমণে ফুল পরী, বকুল তলে আসে ফুল কুড়াতে। নাদুসনুদুস তুলতুলে সুউচ্চ, বক্ষ মেলে সটান করে দাড়ায়। চোখ দুটো আরে-ভিড়ে, মাদকতার লোলুপ
জীবনের এই গন্তব্যহীন পথে চলতে চলতে শরীর আর মন আজ বড্ড ক্লান্ত। চারপাশের শত শত মানুষের ভিড়ে প্রতিনিয়ত ভালো থাকার এক মিথ্যে অভিনয় করে যাওয়া। বুকের ভেতর দুঃখের পাহাড় চেপে