পুরুষ মানুষটা প্রেমে হোঁচট খায়,
ভালোবাসার ভাষা জানে না ঠিকঠাক,
তার হাতটা এগিয়ে যায় কিন্তু ঠোঁট থেমে থাকে—
বলতে পারে না, “ভালোবাসি”।
তবুও সে রোজ এক মুঠো অপেক্ষা গিলে ফেলে নিঃশব্দে,
বুকের ভেতর জমে থাকা কথাগুলা
নিজের সাথে রাতভর যুদ্ধ করে।
সে ফুল দেয় না, চিঠি লেখে না,
অভিসারের খুঁটিনাটি মনে রাখে না,
কিন্তু যাকে একবার আপন ভাবে—
তার জন্য ভেতরে ভেতরে এক বিশাল আশ্রম গড়ে তোলে।
সে মায়া করে,
অভিমান করে না বলে,
রাগ করে চোখ সরিয়ে রাখে
তবুও তার মন পড়ে থাকে ঠিক সেই প্রিয় মানুষটার জন্য ।
সে বুঝিয়ে বলে না কিছুই,
তবে কাঁধে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে নিঃশব্দে।
সে না বলা দোয়াগুলো রোজ পাঠায় আকাশে,
যেনো প্রিয় মানুষের মুখে শুধু হাসি ফোটে।
সে চলে যায় হয়তো,
তবু পেছনে পড়ে থাকে তার একটা অদৃশ্য ছায়া।
পুরুষ মানুষ যখন মায়ায় পড়ে,
তখন সেই মায়া তার রক্তে গেঁথে যায়।
প্রিয় মানুষটা আর থাকে না পাশে,
তবুও তার স্মৃতি একটুও মলিন হয় না।
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত বুকের বাঁ পাশে
সে আগলে রাখে সেই মায়া,
যা একবার পেতেছিল হৃদয়ের ভিতরে নরম করে দেওয়া একজন মানুষ।
পুরুষের প্রেম ক্ষণিক হতে পারে,
কিন্তু তার মায়া হয় চিরস্থায়ী—
মরণ পর্যন্ত ছায়ার মতো লেগে থাকে… নিঃশব্দে।