তোমাকে বুঝতে গিয়ে আমি ফিরে গেছি পেছনে বহুবার, জানতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে আমার ভবিষ্যৎ চিন্তা বারংবার। কতোকাল ধরে ভেবেছি কেনো এই অহেতুক বেচেঁ থাকা, কতোবার বিশ্লেষন করেছি দেখেছি বাস্তবে সবটাই
ভালোবেসেই অতি যত্নে আমাকে কাঁদিয়েছো! ইস তবুও তোমাকে ভুলতে পারি না, কতইনা বোকা আমি! তোমার ছলনাকে মায়া ভেবে আগলে রেখেছি। মাঝে মাঝে মনে হয় সেই আগের তুমি’কে যদি একটি বার
অ – অনিয়মই যেনো নিয়ম এখন আ – আশেপাশে সর্বত্রই তাই বিভীষিকাময় ই – ইংগিতে চলে কার সবই কিন্তু পরিস্কার । ঈ – ঈশান কোণে মেঘ দেখে উ – উঠে
এ দেহের খতিয়ান আজ তোমাকেই দেবো নন্দিনী খুলে খুলে খুঁজে নাও সব। আমার এই চোখগুলো খুলে নাও, গুনে দেখো কতবার তোমাকে চেয়ে দেখেছে নিবিড় ভালোবাসায় গুনে দেখো কতবার তোমাকে আহ্বান
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু ভিজে গেল মাথা, সখা তুমি এগিয়ে দিলে কলা পাতার ছাতা। নিদম হাওয়া বইছে বহে বলছো না যে জানি! স্বপ্ন দেখায় এই তো আমি ঝাঁপটা দিচ্ছে পানি।
বৃষ্টি নামলো ধরার বুকে ঝমঝমিয়ে ভাবে, আজকে ধরায় সব প্রাণে’ই জানি স্বস্তি পাবে। আজ প্রকৃতি কাঁদছে দেখো ভাঙলো যত আড়ি, শীতল হাওয়া বইছে আজি হৃদয় নিলো কাড়ি। সবুজ প্রাণে সজীব
সোনার ফসল উঠবে ঘরে। অনেক আশা মনে। ভেঙ্গেছে বাঁধ ঢুকছে পানি অশ্রূ চোখের কোণে। অঝোর স্রোতে আসছে পানি ধানের ক্ষেতে ডুবে। চোখের জলে ভাসিয়ে বুক কষ্টের মাঝে সবে । মেলেনা
হঠাৎ করেই একদিন পথের ধারে কুড়িয়ে পেলাম কিছু রঙিন কাগজ। কাগজগুলো যত্নে করে রেখে দিলাম। অদ্ভুত সে কাগজ থেকে রং ছড়াতো মনে, কখনো নীন আকাশের মত সাদা মেঘময়, কখনো গোধুলির
আষাঢ় শ্রাবণে বাদল নিয়ে ফুটলো কদম ডালে জুঁই মালতী বকুল ফুটে ময়ুর পেখম তুলে। নদীর বুকে পাল তোলা নাও চলছে সারি সারি মাঝে মাঝে সুর্যি মামা খেলছে লুকোচুরি। মিঠা পানির
তুমি কখনো পুরনো হবে’না প্রিয়! আমি তোমাকে প্রতিদিন নতুন করে ভালোবাসবো! আগলে রাখবো বাহুডোরে। ভালোবাসার স্বপ্ন কতইনা রঙিন! পিপাসিত মন ছটফট করে, তোমার সান্নিধ্য পেতে; মনের এই ব্যাকুলতাই আমার প্রেম।