আধুনিকের লাগছে ছোঁয়া আমার পল্লী-গাঁয়ে, গাঁয়ে যেতে ইচ্ছে জাগে বসতে বটের ছাঁয়ে। পল্লী বিদ্যুৎ পেয়ে খুশি আমার গেরামবাসী, সবার ঘরে টিবি,সিডি মুখে মধুর হাসি। তাল মিলিয়ে চলতে পারে আধুনিকের সাথে,
বহুদিন হলো এসেছিলে তুমি, বসন্ত ভরা জোছনায়। উত্তাল তুমল মায়ায় আমিও ছিলেম জলভরা বরষায়! আকুল হৃদয় বিশাল মায়ায় ঢেকেছে আমারে তোমারই ছায়ায় যে বাঁশির সুরে এ পরাণ ভরি যে গানের
প্রিয় সেই নীল রঙ্গের শাড়িটি আর ছুঁয়ে দেখা হয়না ছুঁয়ে দেখা হয়না নীল সমুদ্রের চেয়ে থাকা নীল নয়না। বদলে গেছে চাওয়া পাওয়ার আকুতি কখন যেনো নিজেদের অজান্তে তাইতো নেই সেই
প্রাণ প্রতিষ্ঠায় এ কোন্ প্রাণের বিসর্জন? নৈতিক স্খলনে যে প্রতিস্থাপন, সবই বিভ্রম’তার সমীরণ। মনে রেখো— সকল প্রীতি স্থিতি নহে, অস্থিতির আয়োজন! বাজবে দামামা, থর-থরে কাঁপিবে চারণভূমি! ঘিরবে আঁধার, বাণীর গ্লানিতে
ঢেউয়ের মতো, বাঁশ বনে ভেসে যাওয়া উদাসী বাতাসের মতো, দ্রুত ভেসে যাচ্ছে দিন। মাঝে মাঝে স্মৃতির পুরনো পাতা উল্টে দেখি, সেখানে কত কথা, কত ব্যথা, কত মনোরম স্মৃতির মনি মানিক্য
রোজ কারো না কারো হই অভাবে নয় এ যেন স্বভাবে! চাইতে! না চাইতেও সেকেন্ডে সেকেন্ডে যে কারোর হয়ে যায়। হুম রোজী কারোর হই এই যেমন দাঁত পরিষ্কার করতে গিয়ে ব্রাশের,
মানুষ সব কিছুর চায় ভাগাভাগি খাবার, ঘরবাড়ি,জমি-জায়গা অন্যের সুখেরও চায় ভাগ শুধু নিতে চায় না কেউ ভাগের সামান্য কষ্ট।। মিটারে আজ কষ্ট বেড়েই যাচ্ছে সুখের দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে ট্র্যাংকি কানায়
তুমি যেন এক অলিখিত দলিল; যার ভাগ কেউকে দেয়া যায় না… তুমি যেন প্রতিদিন ভালো লাগার এক কারণ যার সাথে নিত্যদিন আমার বায়না। তুমি যেন কোন কুয়াশায় ঢাকা ভোর, প্রকৃতির
নামটি তার লুৎফর রহমান লাতু সরকার পাঁচ পুংগলী বাড়ি, রিয়াজ উদ্দীন সরকারের দ্বিতীয় সন্তান বুদ্ধিমত্তা উনি। বিবেক আর আত্ম সংযমে গুণান্বিত তিনি, সুনাগরিক সমাজ সেবক, সহজ সরল প্রতি। উচ্চ বংশের
জগৎপিতা একজন শুধু স্বীকার করে মানব জাতি। গ্রন্হ তাহার আল কোরআন অবিশ্বাসের নেই গতি। ছাদ আসমান বিছান মাটি বলেন প্রভু আল কোরআনে। বিধান যতো গ্রন্হে তাহার যাতে মানুষ মানে। বিধান