রিমঝিম বৃষ্টির ধ্বনি শুনে মন সু-শীতল পাখা মেলে- হারিয়ে যায় মেঘের দেশে আপন বেশে লুকোচুরি খেলে! বৃষ্টির নূপুর বাজে জল-তরঙ্গে বাতাসের নির্মোহ চলন গতি ছুঁয়ে যায় সবুজের নোলকে, ভাবনারা ক্লান্ত
আবার আজ তোমার সাথে দেখা ত্রিশ বছর পর কবে এলে এই ঢাকার ব্যস্ত শহরে প্রবাস জীবনে কেমন ছিলে! ম্যানহাটনের সেই অস্হির ছুটে চলা রাস্তায় বোস্টনের সুন্দর শহর অলিগলি , হোবোকনের
ঠাকুরপুকুর ক্যান্সার হসপিটালে গতরাতে গোকুল সামন্ত মারা গিয়েছেন। দীর্ঘদিনের অসুখ। বহুদিন ধরে চিকিৎসা চলছিল। অবশেষে জীবনের পরিসমাপ্তি। একমাত্র মেয়ে সুমিতার বিয়ে দিয়েছিলেন চাকরি থাকতে থাকতেই। জামাই সরকারি কর্মী। একমাত্র নাতি
জীবনে যখন ভালোবাসা শব্দটার মর্ম বোঝিনি,তখনেই পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রীয় মানুষ-টাকে হারিয়েছি।ভালোবাসা শব্দটির অনুভূতি যখন হৃদয়ে জাগ্রত হলো,তখন অনুভব করেছি খালা খালুর ভালোবাসা।আত্নীয় স্বজন আর ক্ষনিকের জীবনে চলতি পথে হওয়া সম্পর্ক,কিছু
পুরুষ মানুষটা প্রেমে হোঁচট খায়, ভালোবাসার ভাষা জানে না ঠিকঠাক, তার হাতটা এগিয়ে যায় কিন্তু ঠোঁট থেমে থাকে— বলতে পারে না, “ভালোবাসি”। তবুও সে রোজ এক মুঠো অপেক্ষা গিলে ফেলে
ধরাবাহিক উপন্যাস পাহাড়ের পেছনে কেউ -১ (রোমান্টিক স্পাই থ্রিলার) — মামুনুর রশীদ পর্ব ২: বগালেকের আকাশ ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হচ্ছে, সেই আলোটা ঠিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের জানালা দিয়ে এসে পড়ে নিশিতার
গ্রামের মাটিতে পা রেখেই বড় হয়েছি, লতা পাতার মতো জড়িয়েছি পৃথিবীকে। পড়াশোনার গণ্ডি পার হওয়াটাও সহজ ছিল না, কারণ আমি নারী—এটুকুই যথেষ্ট ছিল বাধা দিতে। শহরে পা রাখতে না রাখতেই
ঘরের ভেতর একটা নিঃশব্দ কান্না জমে আছে বহুদিন। চারপাশে দেয়াল, দরজা-জানালা, ছাদের নিচে মাথা—সব আছে, শুধু নেই মুক্তি। মানুষ ভাবে, ঘর মানেই শান্তি। কিন্তু ক’জনই বা জানে, এই ঘরই কখনও
তুমি না থাকলে আমার জীবনের দাম কী? তোমার নিঃশ্বাসেই বাঁধা আমার প্রতিটি ক্ষণ, তুমি আছো বলেই তো আজও আমি বেঁচে আছি, তুমি আছো বলেই তো আব্দুল্লাহ হাসে নির্ভরণ। তুমি না
আমি আছি তো! পাচ্ছো কেন ভয়? করবে জয়, একদিন, তাঁর কাছে আমৃত্যু ঋণ। বাবা মানে মনোবল, বাবার আশীষ, ধরণীর বুকে সেরা বল। বাবা মানে,শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, বাবা মানে শক্তি, বাবা মানে