মানসীর গল্প শুরু হয়েছিল একটি ছোট গ্রামে, যেখানে সে জন্মেছিল এবং বড় হয়েছিল। পিতৃহীন পরিবারে মানসী ছিল মা আর ছোট ভাইয়ের একমাত্র ভরসা। তার মা কাজ করতেন গ্রামেরই এক জমিদারের
অনাদি কালের বন্ধু আমরা ছিলাম একসাথে, কাটিয়েছি সুখ দুঃখের প্রহর গুলো হাতে হাত রেখে ছিলাম হংস মিথুন কথায় মুখর। সুখ স্বপ্নে কাটতো দিন খুশিতে বিভোর, চাঁদনী রাতে দু’জনে কেবলই করেছি
আমিও একদিন মেহমান হয়েছিলাম তোমার মেহমান খানায় অনেক খুঁজে খুঁজে বের করেছিলাম তোমার বৈঠক খানা। নিজের হাতে বাদাম কুঁচি দিয়ে পায়েস রান্না করে নিয়ে ছিলাম তোমার জন্য। ইচ্ছে ছিল তুমি
আসছে ধেয়ে দমকা হাওয়া সাগর থেকে উপকূল, উতালপাতাল সাগর নদী ঢেউয়ে ভাঙে নদীর কূল। মাঝে মধ্যে আচমকা হয় তিব্র হাওয়ায় গতিপথ, জলোচ্ছ্বাসে গাছপালা সব ছিন্ন ভিন্ন চলার রথ। কালো মেঘে
রিমঝিমিয়ে বৃষ্টি ঝরে মেঘলা এলো যাত্রী, হচ্ছে বলেই আকাশ কালো সকাল দুপুর রাত্রি। কাদামাটি হাটবাজারে হইচই নদী-নালা! কালবৈশাখীর জলোচ্ছ্বাসে গরিব দুঃখীর জ্বালা। বাড়ির পাশে পুকুর ঘাটে নোঙর ভিরাই হাটে, ব্যাঙের
পুরুষ নারী দু’জন মিলে একই শক্তির বল, সংসার নীড়ে প্রেমের ভীড়ে নামে সুখের ঢল। নারীর মাঝে পুরুষ খোঁজে পরশ ছোঁয়া সুখ, নারীর মিলন জগত মাঝে মিঠায় পুরুষ ভুখ। প্রেমের জোড়া
ভুলে গেছ কী!—পৃথিবীর দেহে প্রোথিত প্রেমের জলে মানুষের ভ্রূণবীজ নক্ষত্রের মতো অবাধ অগাধ! শাশ্বত নীরব, তুঁহু অন্তর্জলে— সত্য তুমি! অথচ কী জানি, তোমার আমার প্রেমে অবোধ হাহাকার! হতাশার চাদরে ঢাকা
ঘুর্ণিঝড় ‘ রেমাল’, করেছিল সকলকে বেসামাল। ক্ষতি হয়েছে অনেক হারিয়েছে অনেকেই জানমাল। মসজিদ আর বাড়ি এছাড়া ভয়ে কোথাও দেইনি পাড়ি। খবর নিয়েছি পাড়া প্রতিবেশীর, বর্নান দিতে কষ্ট হবে অপূরণীয় এই
একটু অভিমানে, তোমার কপালের কালোটিপ এই বর্ষা সকালে আমার মনে আঁকে বিষাদের প্রতিচ্ছবি! তোমার একটু অভিমানে, বৃষ্টি ছুঁয়ে দেখিনি,পারিনি লিখতে জল-নূপুরের কবিতা! তোমার একটু অভিমানে, বৃষ্টি ফোঁটায় খেলছে না শিশুরা
রেমাল যেন ঘূর্ণিপাকে রাক্ষুসে এক ঝড়, নদীর বুকে বিলীন হলো বসত বাড়ি ঘর। দানব রূপে ছোবল দিলো বিনাশ করে গেল, নদীর জলে আপন ভিটা বিলীন সবি হলো। স্রোতের পানে গোরু