নরম দুর্বা ঘাসে মোড়ানো গ্রামের মেঠোপথে নাঙ্গা পায়ে দাবড়িয়ে বেড়ানোর সেই সুখ স্মৃতি মনের গহীনে আজও দোলা দিয়ে যায়। আশ্বিনের শেষে ভোরের মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে মুক্তার মতো কুয়াশাজড়ানো গুল্মলতাগুলো আষ্টেপৃষ্টে
রাতে একজন আত্মীয় ফোন করে বললেন তাদের বাড়ি যেতে পারবো কিনা, কারণ জানতে চাইলে বললেন। তার ছোট ভাই অসুস্থ, তাকে একটু দেখতে হবে। বললাম ডাক্তার দেখান। দেখিয়েছি, অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষার
রাতে ঘুমাতে গিয়ে স্ত্রী বললো আগামীকাল রান্না করার মতো চাল ডাল কিছুই নেই। স্ত্রীর কথা শুনে বললাম চিন্তা করবেনা আল্লাহ এক ব্যবস্থা করে দিবেন। সে বললো, সেটা বুঝলাম কিন্তু তার
বসন্তে মোর মন জ্বলে বিরহে, অজস্র বিফল বসন্ত ফেলে এসেছি , নিষ্ফলা বসন্ত আমারও দুয়ারে কেনো আসে বারেবারে, বিরহের আগুনে কাঁদাতে অশান্ত অন্তরে? বহুদিন বহু মাস কতো যে বছর পেরিয়ে
নদীর ন্যায় সংকুচিত হচ্ছে মানুষের মনুষ্যত্ব মিথ্যার দাবানল ছড়িয়ে যাচ্ছে দিকে। প্রগাঢ় মমতা লোপে নিচ্ছে বিষাক্ত সব কীট মুখোশের বিমূর্ততায় নিজেকে ঢেকে। সোডিয়ামের আলোয় কাতরাচ্ছে অবুঝ শিশু একমুঠো দানাপানির নিদারুণ
কোকিলের কুহুতানে মুখরিত বাতাস! বসন্তের স্পর্শে ফুলে ফুলে সেজেছে আজ, আমার ছাদ বাগান! তাই ফুলের সুবাসে মনটা বেশ উতলা। ফাগুনের আনন্দে মনে জেগেছে প্রেম! তাকে কাছে পাওয়ার তৃষ্ণায়, আজ হৃদয়ের
নিঃসন্দেহে প্রেম সুন্দর! তবে সেই প্রেমের মদিরতা নষ্ট করেছে কিছু মাংসাশী মানুষ! যা কলুষিত করছে পবিত্র প্রেম। বিচ্ছেদ হলেই একজন অন্যজনের নামে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে অনারবত! ধীরে ধীরে বিশ্বাস হারাচ্ছে!
সারা জীবন আমি একটা ছায়াময় গাছ, একটা ঢেউ খেলানো নদী, সবুজ শস্য ক্ষেত্র এবং শঙ্খচিল উড়ে যাওয়া নীল আকাশ খুঁজেছিলাম, খুঁজতে খুঁজতে দিগন্ত পার, পথে কত ঝরনা নদী কত উপল
মুর্শিদাবাদ সিল্কের শাড়িতে আজকে বড় অপরুপা লাগছিল শাশ্বতীকে, নীলাঞ্জন পাশাপাশি হাঁটছিল। সিনেমা হলের সামনে একটা ফোয়ারা ছিল, রাস্তার দু’ধারে কৃষ্ণচূড়ার গাছ ছিল, বসন্তকালে কী যে অপরূপ লাগতো! সার্ভিস মার্কেটে জনতা
আগে বুঝি পরনিন্দা, না সমালোচনা। একটা মন্দ, অন্যটা উপকারী শেষেরটাই তাহলে আলোচনা করি। কবি,লেখক,গায়ক সব পেশার লোকের কাজের মান যাছাইয়ে সমালোচক দরকার। যদি সমালোচনা না করি ভালমন্দের ফারাকটা হবে কি