মা আছে যার এ পৃথিবী তার মা হীনা যে অগ্নি জীবন তার, মায়ের কোল যে পেয়েছে সর্ব সুখী সে- মায়ের চরণ ধুলি যে পেয়েছে জান্নাত তার। মা থাকতে যদি করো
মাগো তুমি আমার কাছে ইছামতীর পানি কুলকুলিয়ে নিরবধি ছড়ানো আঁচলখানি। মাগো তুমি শীতের সকাল উষ্ণ রোদের তাপ তুমি আমার গরম ভাতের ধোঁয়া ওঠা ভাপ। মাগো তুমি পদ্মা নদীর ঢেউ থইথই
কিচ্ছু হবে না লক্ষ্যপূর্ণ, কিচ্ছু হবে না সাধন, কিচ্ছু হবে না কারোর জীবন আদর্শ উন্নয়ন, হবে না সমাজ রাষ্ট্রের নৈতিকতার অগ্রগতি, যতক্ষণ না সত্য প্রতিষ্ঠা করো অন্তরে প্রতি। শতশত মতবাদ
ভোর বিহানে চিড়া কুটার আওয়াজ ছিল, ঘরে ঘরে ঢেঁকি ছিল, ঘাইল চিয়ার প্রচলন ছিল! সপ্তাহের হাটে হামহাম বাজারী শব্দ ছিল, এক ছটাক তেল নুন পিঁয়াজ রসুন হলদি বিক্রি হতো বড়
শিলা-বৃষ্টি,কখন যে কোথায় আসে-যায়! আগারগাঁও অফিসের পক্ষেও বলা দায়, যদিও তাঁরা নির্ভর করে,বায় কেমন ধায় তবুও দাবদাহ চলছে বেখেয়ালে হায়! মেঘের সাথে গগনবিদারী গর্জন যদি হয় শিলাকে বলেছিলাম, পেওনা একটুও
প্রকৃতি জুড়ে প্রৌঢ়ত্বের ছাপ , মলিন হচ্ছে সবুজ রুগ্ন নদী নিতম্ব নাচিয়ে প্রশ্ন করে— ‘নেই সেই কলরব! তবে কী ফুরিয়ে গেছে সব?’ নির্বাক বাতাস শুধুই বয়ে যায় বোবা চোখে জানায়
মাটির দেহ মাটির সাথে যাবে একদিন মেশে রঙ্গ ঢঙ্গ করি শুধু মাটির পৃথিবীতে এসে হিংসে নিন্দে করে করে কেটে যাচ্ছে দিন শেষ হচ্ছে আয়ু তোমার আসবে মরণ একদিন। রুপ বলো
যে ফুল ফুটে অন্তরে,কল্যাণের তরে; ছুঁড়ে দাও- গন্ধ তার,মানুষের ঘরে। শুকনো পাতা মর্মর, বাজে কহু তানে; ভরে দাও ধরা প্রভু, সু-সাম্যের গানে। রুষিয়া গেলে সে কাল, কলির গুঞ্জরে; যে কাল
তুমি এসে জীবন ময়, অলিখিত দলীলে দস্তখত দিলে, উড়ো খামে মুঠোফোনে বার্তা পাঠালে মনের সাজানো রঙে। কত উপমায় আঁকো ছবি রচো কত রচনা নিরবধি। তুমি এসে জীবন ময়, অভিমানে অনুরাগে
কে ঐ বাংলায় জন্ম নিয়ে বাংলায় বাস করে, বাংলা নববর্ষে বৈশাখ বরণে অপপ্রচার ধরে? বিনয়ের সহিত বলব তারে প্রশ্ন কর নিজেকে, দেশ,ভাষা ও জাতি হয় কিনা ভিন্ন ধর্ম থেকে? আজও