আমি কাঁদতে চাই নিই কিন্তু আমাকে কাঁদানো হয়েছে। আমি পাগল ছিলাম না তোমার জন্য আমাকে পাগল হতে হয়েছে নিজের অজান্তেই কখন যেনো পাগল বানিয়ে ফেলেছি নিজে কে বুঝতে পারি নাই
পৃথিবীর কোলে পাঠিয়েছো হে অসীম করুণা করেছো দিয়েছো হায়াত প্রার্থনা যেন করি কেবল তোমারি ভুলি না যেন কভু তোমার এই দয়া। ছিন্নভিন্ন হতাশার জীবনেও ঈমানের পথে রাখিও গাঁথা হৃদয়ে থাকে
জন্ম নিলে মৃত্যু একদিন এইতো সত্য চিরদিন আসা যাওয়ার মাঝে কেবল বাড়লো সবার কাছে ঋণ। বুকে আঘাত তারাই করে যাদের বুকে রেখেছো স্বপ্ন তোমার তারাই ভাঙ্গে যাদের স্বপ্ন দেখিয়েছো। জীবন
তোমার ঠোঁটের পরশে সেদিন শক্তি পেয়েছি আমি সাহস যুগিয়ে কিভাবে বলো চলে গেলে তুমি? এখনো ভাবি গভীর নিশিতে সবই কি ছিলো মিছে? তাহলে পরনা সেদিন কেনো নিয়েছে আমার পিছে? ভাবতে
বাবা বলেছিল যত চুপ ততো সুখ! তাইতো কষ্ট পেলেও চুপ থাকি সুখের আশায়! বাবার সেদিনের কথাটা হৃদয়ে এমন ভাবে লেগেছিল তাইতো আজো সবকিছুতেই চুপ থাকি। বাবা মিষ্টি হেসে বলেছিল কেউ
লিখি পড়ছে। আমি পাশে বসে এফবি ঘাঁটাঘাঁটি করছি। ও মাঝে সাঝে আটকে গেলে এটা সেটা জিজ্ঞেস করছে। সে তার সমাজ বইয়ে কোন একটি চ্যাপ্টারে ইতর প্রাণীর উদাহরণ হিসেবে কুকুরের নাম
তেল পানি ভরে দিছে গাড়ি ছেড়ে যাবে সুদূর অজানায়, ব্রেক বিহীণ গাড়ি চলছে অজ্ঞাত বাড়ি,থামবে কোথায়! নাই টিকেট নাই স্টেশন, শুধুই পথে পথে স্পিড ব্রেকার, রিটার্ন টিকেটে এসেছে ধরায়,সময় হলে
এক থেকে নব্বই হলাম চোখের কোণে জল , ছোট বেলায় দিঘির জলে তুলেছি শতদল । সরোবর আর দেখিনা চারিদিকে রঙ্গ , ভালো নেই তুমি আমি ভালো নেই বঙ্গ । তখন
সাড়ে তিন হাত মাটির দেহে আছো মন প্রাণ লুকিয়ে, সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে যাবে মাটির দেহ ঘুমিয়ে। ভোলা মন, তোমার আমার চির বসত সে মাটির ঘর, মাটির দেহ মাটির
নরম দুর্বা ঘাসে মোড়ানো গ্রামের মেঠোপথে নাঙ্গা পায়ে দাবড়িয়ে বেড়ানোর সেই সুখ স্মৃতি মনের গহীনে আজও দোলা দিয়ে যায়। আশ্বিনের শেষে ভোরের মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে মুক্তার মতো কুয়াশাজড়ানো গুল্মলতাগুলো আষ্টেপৃষ্টে